সংসদ ভবনের সামনে কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী। ফাইল ছবি
সংসদ ভবনের সামনে কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী। ফাইল ছবি

দেবেন্দর 'সিং' না হয়ে 'খান' হলে কী হত? অধীরের টুইটে শোরগোল

  • মঙ্গলবার সকালে একগুচ্ছ টুইট করেন বহরমপুরের কংগ্রেস সাংসদ। তাঁর প্রশ্ন, দেবেন্দরর সিং না হয়ে খান হলে কী হত?

কাশ্মীরে জঙ্গিদের সঙ্গে যোগসাজসের অভিযোগে ধৃত পুলিশ আধিকারিক দেবেন্দর সিংকে নিয়ে অধীর চৌধুরীর টুইটে শুরু নতুন বিতর্ক। লোকসভায় কংগ্রেসের পরিষদীয় দলনেতা অধীরবাবুর দাবি, ‘পুলওয়ামা হামলাতেও জড়িয়ে ছিল কোনও দেবেন্দর সিং।’

মঙ্গলবার সকালে একগুচ্ছ টুইট করেন বহরমপুরের কংগ্রেস সাংসদ। তাঁর প্রশ্ন, দেবেন্দরর সিং না হয়ে খান হলে কী হত? এতক্ষণে ঝাঁপিয়ে পড়ত আরএসএস। দেশের শত্রুদের বর্ণ, ধর্ম দেখা অনুচিত। পুলওয়ামার মতো ঘটনার আসল কালপ্রিট কে তা এখন নতুন করে খোঁজা দরকার।

বিজেপির পালটা অভিযোগ, ‘দেবেন্দরের গ্রেফতারি নিয়ে রাজনীতি করছে কংগ্রেস। সন্ত্রাসের সঙ্গে ধর্ম জুড়ে পাকিস্তানের মতো কথা বলছে তাঁরা’।



যদিও নিজের অবস্থানে অনড় অধীর চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘আফজল গুরুর আইনজীবী এই দেবেন্দরের নাম করেছিলেন। অভিযোগ করেছিলেন এই দেবেন্দরই আফজলকে ফাঁসায়। এই ঘটনা কাশ্মীরের নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত বিপদজনক। পুলওয়ামাকাণ্ডের অভিযুক্তরাও আসল অভিযুক্ত কি না এবার খতিয়ে দেখা দরকার।’

বলে রাখি, ২০০১ সালের ১৩ ডিসেম্বরের ভারতের সংসদ ভবনে হামলা চালায় ৫ জঙ্গি। ঘটনায় ৯ জন নিরীহ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। সংসদ ভবনে ঢোকার আগেই জঙ্গিদের গুলি করে মারেন নিরাপত্তারক্ষীরা। সেই ঘটনায় শ্রীনগর থেকে আফজলকে গ্রেফতার করে দিল্লি পুলিশ। ২০১৩ সালে ৯ ফেব্রুয়ারি তার ফাঁসি হয়। এর মধ্যে ২০০৪ সাল থেকে কেন্দ্রের ক্ষমতায় ছিল কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন UPA সরকার। এমনকী তাঁর ফাঁসিও হয়েছে কংগ্রেসের শাসনামলে। প্রশ্ন উঠছে, আফজলকে ফাঁসানো হলে কেন তাকে ফাঁসি ছিল কংগ্রেসি সরকার? দেবেন্দরের বিরুদ্ধে আফজলের আইনজীবী অভিযোগ করলেও কেন কোনও বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়নি প্রশাসন?

বন্ধ করুন