বাড়ি > ঘরে বাইরে > IED বিস্ফোরণের নিশানায় আফগান উপ-রাষ্ট্রপতি, মৃত্যু ১০ জনের, সন্দেহে হক্কানি নেটওয়ার্ক
কাবুলের বিস্ফোরণস্থলে নিরাপত্তারক্ষী (ছবি সৌজন্য রয়টার্স)
কাবুলের বিস্ফোরণস্থলে নিরাপত্তারক্ষী (ছবি সৌজন্য রয়টার্স)

IED বিস্ফোরণের নিশানায় আফগান উপ-রাষ্ট্রপতি, মৃত্যু ১০ জনের, সন্দেহে হক্কানি নেটওয়ার্ক

  • উপ-রাষ্ট্রপতির বড়সড় কোনও আঘাত না লাগলেও বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে ১০ জনের।

দু'দিন আগেই ডুরান্ড লাইনের প্রসঙ্গ তুলেছিলেন। পেশোয়ারকে গ্রীষ্মকালীন রাজধানী করার বিষয়েও আলোচনা করেছিলেন। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই বুধবার সকালে আফগানিস্তানের উপ-রাষ্ট্রপতি আমরুল্লা সালেহকে লক্ষ্য করে কাবুলে ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) বিস্ফোরণ ঘটানো হল। তাঁর বড়সড় কোনও আঘাত না লাগলেও বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে ১০ জনের।

উপ-রাষ্ট্রপতির যাত্রাপথের একটি কালভার্টের নীচে বিস্ফোরক রাখা ছিল। সকাল সাড়ে সাতটা নাগাদ আমরুল্লা সেখান দিয়ে যাওয়ার সময় বিস্ফোরণ ঘটে। সেই বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে আশপাশের দোকানের সিলিন্ডার ফেটে যায়। 

পরে একটি ভিডিয়ো বার্তায় প্রাক্তন গোয়েন্দা প্রধান জানান, তাঁর মুখের সামান্য অংশ পুড়ে গিয়েছে। হাতেও চোট লেগেছে। আফগানিস্তানের অভ্যন্তরীণ মন্ত্রককে উদ্ধৃত করে সংবাদসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, বিস্ফোরণে ১০ জন সাধারণ নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। আমরুল্লার নিরাপত্তারক্ষী-সহ ১৫ জন আহত হয়েছেন। 

তবে আমরুল্লাকে লক্ষ্য করে হামলা এই প্রথম নয়। আগেও একাধিকবার হামলার মুখে পড়েছেন। গত বছর নিজের অফিসে তাঁকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছিল। সেই হামলায় ২০ জনের মৃত্যু হলেও বেঁচে গিয়েছিলেন আমরুল্লা। 

কাবুল ও নয়াদিল্লির কূটনীতিবিদদের বক্তব্য অনুযায়ী, হক্কানি নেটওয়ার্ক হামলা চালিয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। কারণ কাবুল শহরে জোর আছে জারদান উপজাতির (জঙ্গিগোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত) এবং বুধবার সকালের হামলায় জড়িতরা পাকিস্তানে থাকে। হক্কানির প্রধান সিরাজউদ্দিন হক্কানি হল আবার তালিবানের উপনেতা।

কাতারের রাজধানী দোহাতে আফগানিস্তান সরকারের সঙ্গে তালিবানের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত শান্তি বৈঠকের ঠিক আগে বিস্ফোরণ হলেও তালিবানের দাবি, হামলার পিছনে তাদের হাত নেই। টুইটারে তালিবানের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ জানায়, তালিবান জঙ্গিরা হামলায় জড়িত নয়।

বন্ধ করুন