বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের পর অ্যাস্পারগিলাস, করোনা আক্রান্তের শরীরে নয়া ছত্রাক সংক্রমণ
ছবিটি প্রতীকী (সৌজন্যে এএনআই)
ছবিটি প্রতীকী (সৌজন্যে এএনআই)

ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের পর অ্যাস্পারগিলাস, করোনা আক্রান্তের শরীরে নয়া ছত্রাক সংক্রমণ

  • করোনা আক্রান্তদের শরীরে দেখা গেল নতুন ধরনের ছত্রাক সংক্রমণ।

দেশে করোনা আক্রান্তদের মধ্যে ক্রমেই বাড়ছে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস বা মিউকোরমাইকোসিস সংক্রমণ। তবে এবার করোনা আক্রান্তদের শরীরে দেখা গেল নতুন ধরনের ছত্রাক সংক্রমণ। উত্তরাখণ্ডের হাসপাতালে ভর্তি থাকা ১১ জন রোগীর শরীরে পাওয়া গিয়েছে অ্যাস্পারগিলাস নামক এক ছত্রাকের সংক্রমণ।

টিউবারকুলোসিস বা অ্যাসমা আক্রান্তদের মধ্যে এই অ্যাস্পারগিলাস ফাঙ্গাসের সংক্রমণ লক্ষ্য করা গিয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিত্সকরা। রোগীর ফুসফুসে থাকা ক্যাভিটিতে এই ফাঙ্গাস জন্ম নিতে পারে। বলের আকারে এই ফাঙ্গাস এরপর দ্রুত বেড়ে উঠতে পারে। এই ছত্রাক সংক্রমণের জেরে অ্যাসমা রোগীদের অ্যালার্জি হতে পারে বলে জানিয়েছেন চিকিত্সকরা। স্টেরয়েড প্রয়োগের কারণে এই ফাঙ্গাস সংক্রমণ হতে পার বলে মত ডাক্তারদের।

চিকিৎসকদের মতে, অ্যাস্পারগিলাস প্রায় তিন মাস পর্যন্ত ফুসফুসে বাসা বেধে থাকতে পারে। রক্তে লিম্ফোসাইটের কম কাউন্ট প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল করে এবং ছত্রাকের সংক্রমণের পথ তৈরি করে। এরপর তা রোগীর শরীরে ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ে। দৃষ্টিশক্তি হ্রাস-সহ বিভিন্ন অঙ্গের ক্ষতি করতে পারে এই নয়া ছত্রাক। এছাড়া দেহের টিস্যুগুলির ক্ষতি করতে পারে অ্যাস্পারগিলাস। এর উপসর্গ - সর্দি, মাথা ব্যথা এবং ঘ্রাণ শক্তি চলে যাওয়া।

এদিকে জানা গিয়েছে, দেশে এখনও পর্যন্ত মোট ২৮ হাজার ২৫২ জন মিউকরমাইকোসিসে আক্রান্ত রোগী সন্ধান মিলেছে। এদের মধ্য়ে ৮৬ শতাংশের করোনাসংক্রমণ হয়েছিল, আর ৬২.৩ শতাংশের ডায়াবেটিস রয়েছে। মহারাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মিউকরমাইকোসিস রোগী পাওয়া গিয়েছে। সেখানে সংক্রমিত হয়েছেন ৬৩৩৯ জন। এর পরে গুজরাতে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত ৫৪৮৬ জন।

বন্ধ করুন