বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > সংসদ চত্বরে ধরনা, বিক্ষোভে নিষেধাজ্ঞা, তীব্র কটাক্ষ জয়রাম রমেশের
সংসদ চত্বরে ধরনায় নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে সরব বিরোধীরা। (HT PHOTO) (HT_PRINT)

সংসদ চত্বরে ধরনা, বিক্ষোভে নিষেধাজ্ঞা, তীব্র কটাক্ষ জয়রাম রমেশের

  • গদ্দার, গিরগিট, চামচা, চামচাগিরি, চেলা, কালাদিন, কালাবাজারির মতো শব্দকেও অংসদীয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এনিয়ে রাজ্যসভার সদস্য ডেরেক ও ব্রায়েন জানিয়েছিলেন, আমাকে সাসপেন্ড করতে পারেন। আমি এই ধরনের শব্দ সংসদের ব্যবহার করব।

সংসদের বাদল অধিবেশনের আগেই সামনে আসছে একের পর এক নির্দেশ। এর আগে অসংসদীয় শব্দের এক লম্বা তালিকা হাজির করা হয়েছিল। এবার লোকসভার সেক্রেটারি জেনারেলের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সংসদ চত্বরে কোনও অনশন, বিক্ষোভ, প্রতিবাদ করা যাবে না। এদিকে এই নয়া ফরমানে বেজায় চটেছেন বিরোধীরা। এই নয়া নির্দেশে উল্লেখ করা হয়েছে ধর্মীয় আচরণও ওই জায়গায় করা যাবে না।

এবার এই নির্দেশ নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করেছেন কংগ্রেস এমপি জয়রাম রমেশ। তিনি টুইট করে লিখেছেন, বিশ্বগুরুর সাম্প্রতিকতম নির্দেশ ধরনা মানা হ্যায়। তিনি জানিয়েছেন, ধরনা. বিক্ষোভ, স্ট্রাইক, অনশন এগুলো প্রতিবাদের অঙ্গ। এগুলো বন্ধ করবেন না। এর সঙ্গেই তিনি জানিয়েছেন, কেউ কি একটু আপডেট করবেন যে এখানে সম্প্রতি কোনও ধর্মীয় অনুষ্ঠান হয়েছে?

তবে স্পিকারের অফিসের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, এটি রুটিন নোটিশ। ২০১৩-১৪ সালেও এই ধরনের নোটিশ ইস্যু করা হয়েছিল।

এদিকে এর আগে লোকসভার সচিবালয়ের তরফে একটি বুকলেট ইস্যু করা হয়েছিল। সেখানে একাধিক অসংসদীয় শব্দের একেবারে লম্বা তালিকা দেওয়া হয়। সেখানে বলা হয়েছিল জুমলাজীবী, ধর্ম, ভণ্ডামির মতো শব্দকেও অংসসদীয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এর সঙ্গেই গদ্দার, গিরগিট, চামচা, চামচাগিরি, চেলা, কালাদিন, কালাবাজারির মতো শব্দকেও অংসদীয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এনিয়ে রাজ্যসভার সদস্য ডেরেক ও ব্রায়েন জানিয়েছিলেন, আমাকে সাসপেন্ড করতে পারেন। আমি এই ধরনের শব্দ সংসদের ব্যবহার করব। 

বন্ধ করুন