বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > কেন্দ্রের কড়াকড়ির জেরে ব্যবসা বন্ধের ভয়! নির্দেশিকা মানতে চাই, জানাল ফেসবুক
কেন্দ্রের নির্দেশিকা মানতে চাই, জানাল ফেসবুক (ছবি সৌজন্যে রয়টার্স)
কেন্দ্রের নির্দেশিকা মানতে চাই, জানাল ফেসবুক (ছবি সৌজন্যে রয়টার্স)

কেন্দ্রের কড়াকড়ির জেরে ব্যবসা বন্ধের ভয়! নির্দেশিকা মানতে চাই, জানাল ফেসবুক

  • সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ে নয়া গাইডলাইন জারি করা হয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে।

সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ে নয়া গাইডলাইন জারি করা হয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে। তবে কেন্দ্রের সেসব নীতি এখনও লাগু করেনি জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া সাইটগুলি। কু অ্যাপ ছাড়া কোনও সোশ্যাল মিডিয়া কেন্দ্রের নির্দেশিকা অনুযায়ী গাইডলাইন লাগু করেনি। এই আবহে ২৬ মে এই নীতি লাগু করার শেষ দিন। এখানেই প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে কি কেন্দ্রের কড়াকড়ির জেরে ভারতে বন্ধ হতে চলেছে ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপের মতো জনপ্রিয় অ্যাপগুলি?

নয়া নির্দেশিকা জারি করে কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছিল, কোনও সোশ্যাল মিডিয়ায় যদি কেউ আপত্তিজনক পোস্ট করে, সেক্ষেত্রে দোষী ব্যক্তিকে আদালতে পেশ করা যাবে। তাছাড়া ওটিটি প্ল্যাটফর্মের উপরও নিয়ন্ত্রণ লাগু করার বিষয়ে নীতিমালা প্রকাশ করা হয়েছিল। কয়েকদিন আগেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর এবং রবিশঙ্কর প্রসাদ সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে সোশ্যাল মিডিয়া এবং ওটিটি প্ল্যাটফর্ম সম্পর্কিত নয়া গাইডলাইনের বিশদ জানিয়েছিলেন।

এদিকে ভারতে ব্যবসা বন্ধের ভয়তে এবার ফেসবুকের তরফে জানানো হল তারা কেন্দ্রীয় নির্দেশ মেনে নেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করতে চায়। এই বিষয়ে ফেসবুকের তরফে বলা হয়, 'আমরা কেন্দ্রের নয়া নির্দেশিকা মেনে নিতে চাই। তবে এই বিষয়ে আরও কিছু আলোচনা প্রয়োজন। কেন্দ্রের সঙ্গে এই বিষয়ে কথা বলা দরকার। আমরা অপারেশনালের প্রক্রিয়া এবং তা প্রয়োগের জন্য কাজ করছি। ফেসবুক চায় যাতে তাদের গ্রাহকরা মুক্ত ভাবে ও সুরক্ষিত ভাবে নিজেদের মত প্রকাশ করতে পারে আমাদের প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে।'

এদিকে এই বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কেন্দ্রীয় সরকারের এক আধিকারিক বলেন, '২৫ ফেবরুয়ারি সরকারের তরফে এই নয়া নিয়মগুলোর কথা জানানো হয়েছিল। সোশ্যাল মিডিয়াগুলোকে সেই নিয়ম মানার জন্য তিন মাস সময় দেওয়া হয়েছিল। এখনও পর্যন্ত কোনও বড় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মই এই বিষয়ে কেন্দ্রকে কোনও চিঠি লেখেনি। অবশ্য তাদের যে চিঠি লিখে জানাতে হবে, এরকম কোনও বাধ্যবাধকতা নেই। সরাসরি ওয়েবসাইটে বদলগুলো নিয়ে আসা যেতে পারে। তবে যেটাই হোক সেটা তাদেরকে করতেই হবে।'

বন্ধ করুন