বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > করোনা রোধের থেকে কৃতিত্ব নেওয়ায় বেশি ব্যস্ত ছিল মোদী সরকার, কটাক্ষ অমর্ত্য সেনের
অমর্ত্য সেন  (PTI)
অমর্ত্য সেন (PTI)

করোনা রোধের থেকে কৃতিত্ব নেওয়ায় বেশি ব্যস্ত ছিল মোদী সরকার, কটাক্ষ অমর্ত্য সেনের

তাঁর মতে, এই অতিমারী মোকাবিলায় শক্তি অনুযায়ী কাজ করতে পারেনি ভারত।সরকার সেখানে ছিল দ্বিধাগ্রস্ত।এই দ্বিধাগ্রস্ত মনোভাবের কারণেই সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব হয়নি।

ফের কেন্দ্রের সমালোচনায় সরব হলেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন।করোনা মোকাবিলায় কেন্দ্রের কাজের সমালোচনা করে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদের কটাক্ষ, কাজ না করে শুধু নিজের কৃতিত্ব নিতেই ব্যস্ত কেন্দ্রীয় সরকার। যা স্কিৎজোফ্রেনিয়া লক্ষণের মতো। এর আগেও কেন্দ্রের বিভিন্ন জনবিরোধী নীতি নিয়ে সমালোচনায় সরব হয়েছিলেন নোবেলজয়ী।এবার দেশে যখন করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়েছে, দেশ জুড়ে মৃত্যু হয়েছে, তখন সরকারের ভূমিকা নিয়েই প্রশ্ন তুলে দিলেন এই অর্থনীতিবিদ।

করোনা মোকাবিলায় মোদী সরকারকে দ্বিধাগ্রস্ত বলে কটাক্ষ করেছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ।এই প্রসঙ্গে তিনি জানান, কাজ না করে কৃতিত্ব নেওয়ার চেষ্টা আসলে কম বুদ্ধির লক্ষণ।ভারত সেটাই করেছে।কেউ ভালো কাজ করলে আপনা আপনি সে কৃতিত্ব অর্জন করে।সম্প্রতি মুম্বাইয়ের একটি অনুষ্ঠানে এসেছিলেন অর্থনীতিবিদ।সেখানেই অর্থনীতিবিদ অ্যাডাম স্মিথকে উদ্ধৃত করেই কেন্দ্রের নীতির সমালোচনায় সরব হয়েছেন তিনি। তাঁর মতে, এই অতিমারী মোকাবিলায় শক্তি অনুযায়ী কাজ করতে পারেনি ভারত।সরকার সেখানে ছিল দ্বিধাগ্রস্ত।এই দ্বিধাগ্রস্ত মনোভাবের কারণেই সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব হয়নি।নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদের মতে, করোনা মোকাবিলায় ওষুধ উৎপাদন ক্ষমতা ও উচ্চ প্রতিরোধ ক্ষমতার জন্য ভারত ভালো জায়গায় ছিল।কিন্তু দেখা যাচ্ছে, রোগ সারা ছড়িয়ে পড়া প্রতিরোধ করার পরিবর্তে সরকার নিজের কাজের কৃতিত্ব নিতেই বেশি আগ্রহী।এটা স্কিৎজোফ্রেনিয়ার ফল।এদিন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ বলেন,‘‌সরকারের ট্রিটমেন্ট প্রোটোকলে পর্যালোচনার ক্ষেত্রে সমস্যা রয়েছে।স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে বড়সড় গঠনমূলক পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।’‌

উল্লেখ্য, করোনায় প্রথম ঢেউয়ের লকডাউনের জের কাটতে না কাটতেই করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়েছে।অসংখ্য মানুষ রুটি রুজি হারিয়েছেন।একদিকে করোনায় সংক্রমণের আতঙ্ক, অন্যদিকে জীবিকা অভাবে সাধারণ মানুষের দুর্দশা চরম সীমায় এসে পৌঁছেছে।এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষকে এই রকম দুর্বিসহ পরিস্থিতিতে ঠেলে দেওয়ার পিছনে কেন্দ্রকেই এবারে দায়ী করলেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ।

বন্ধ করুন