বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > 'কোভিড কেস বাড়ছে, কিন্তু আতঙ্কিত হবেন না', আশ্বাসবাণী কেজরিওয়ালের
অরবিন্দ কেজরিওয়াল। ( ছবি সৌজন্য এএনআই)

'কোভিড কেস বাড়ছে, কিন্তু আতঙ্কিত হবেন না', আশ্বাসবাণী কেজরিওয়ালের

  • রবিবারের রিপোর্ট বলছে, শেষ ২৪ ঘণ্টায় দিল্লিতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩,১০০ জন।

দেশজুড়ে ক্রমেই বাড়ছে ওমিক্রনের কেস। ক্রমাগত উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে দিল্লিতেও। তবে এরই মাঝে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল বলেছেন, ' দিল্লিতে হু হু করে বাড়ছে কোভিড কেস। তবে তাতে আতঙ্কিত হবেন না।' রবিবার দিল্লির করোনা পরিস্থিতির খতিয়ান দিয়ে অরবিন্দ কেজরিওয়াল পরিস্থিতির বিবরণ দেন। তারই সঙ্গে দিল্লিবাসীর প্রতি আশ্বাসবাণীও তুলে ধরেন।

রবিবারের রিপোর্ট বলছে, শেষ ২৪ ঘণ্টায় দিল্লিতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩,১০০ জন। তবে করোনার দ্বিতীয় স্রোতের সময় হাসপাতালে ভর্তি হওয়া নিয়ে যে কঠিন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল , ওমিক্রন ত্রাসের মধ্যে সেরকম পরিস্থিতি উঠে আসবে না বলেই মনে করছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী। অরবিন্দ কেজরিওয়াল রবিবার জানিয়েছেন, ওমিক্রন আপাতত অল্প পরিমাণে প্রভাব ফেলছে আর তা উপসর্গহীন। ফলে এটি নিয়ে অযথা আতঙ্কিত হওয়ার প্রশ্ন নেই, বলে জানিয়েছেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। বর্তমানে রাজধানীতে ৬৩৬০ জন সক্রিয় আক্রান্ত। এই পরিস্থিতির বর্ণনা দিয়ে অরবিন্দ কেজরিওয়াল জানিয়েছেন, 'আতঙ্কিত হওয়ার প্রশ্ন নেই। কারণ মাত্র ২৪৬ টি হাসপাতালের বেড গতকাল ভর্তি হয়েছে। সমস্ত কয়টি কেস অল্প বিস্তর আর উপসর্গহীন।'

তবে প্রশ্ন উঠছে, দিল্লিতে হু হু করে বাড়তে থাকা কোভিড কেস কি আরও একটি স্রোতকে ডেকে নিয়ে আসছে? পরিসংখ্যান বলছে , ২০২১ সালে ২৭ মার্চ নাগাদ দিল্লিতে ৬,৬০০ টি সক্রিয় করোনা আক্রান্তের কেস ছিল। পরিসংখ্যান বলছে,সেই সংখ্যার আশপাশেই বর্তমানে দিল্লিতে সক্রিয় কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা রয়েছে। তবে সেই পরিস্থিতির সঙ্গে তুলনা করে অরবিন্দ কেজরিওয়াল জানান,' সেই সময় ১১৫০ টি অক্সিজেন বেড, ১৪৫ টি ভেন্টিলেটর বেড ভর্তি ছিল। বর্তমানে ৬৩৬০ টি সক্রিয় কেস রয়েছে। আর শুধউ ৮২ টি অক্সিজেন বেড ভর্তি রয়েছে।'

দিল্লিবাসীকে আশ্বাস দেওয়ার সুরে অরবিন্দ কেজরিওয়াল বলেন, যদি এখনও এই পরিস্থিতিতে মানুষের হাসপাতালের প্রয়োজন পড়ে, তাহলে দিল্লিতে ৩৭ হাজার অক্সিজেন বেড এখনও পর্যন্ত রয়েছে। রবিবার দিল্লির করোনা গ্রাফ ইস্যুতে মুখ খুলে সেখানের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'আজ শুধু ৫ জন ভেন্টিলেটারে রয়েছেন।' তিনি জানান, ওমিক্রন হু হু করে ছড়িয়ে পড়লেও, সংক্রমণের ভয়াবহতা অনেকটাই কম।

বন্ধ করুন