বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > মুখ্যমন্ত্রীর তৎপরতায় আন্দামানের 'বন্দি' জীবন পেরিয়ে ঘরে ফিরলেন বৃদ্ধ
আন্দামানের বন্দিত্ব কাটিয়ে নিজের গ্রামে ফিরলেন বৃদ্ধ: ছবি (‌সৌজন্য ফেসবুক)‌ (প্রতীকী ছবি)
আন্দামানের বন্দিত্ব কাটিয়ে নিজের গ্রামে ফিরলেন বৃদ্ধ: ছবি (‌সৌজন্য ফেসবুক)‌ (প্রতীকী ছবি)

মুখ্যমন্ত্রীর তৎপরতায় আন্দামানের 'বন্দি' জীবন পেরিয়ে ঘরে ফিরলেন বৃদ্ধ

  • জাহাজ সংস্থার চাকরি নিয়ে তিনি আন্দামানে পাড়ি দিয়েছিলেন।

সিনেমার চিত্রনাট্যকেও হার মানায় জীবনের কোনও কোনও ঘটনা। এই যেমন ঝাড়খণ্ডের গুমলা জেলার বিষ্ণুপুরের বাসিন্দা ফুচা মাহালি। কলকাতার জাহাজ সংস্থার শ্রমিকের চাকরি নিয়ে আন্দামান গিয়েছিলেন তিনি। ভেবেছিলেন চাকরির টাকা থেকে বাঁচিয়ে সংসারে টাকা পাঠাবেন। কিন্তু ভাগ্য়ের কী পরিহাস! বন্ধ হয়ে গেল জাহাজ সংস্থা। এদিকে স্বাভাবিকভাবেই কাজ যায় ফুচা মাহালির। কিন্তু আন্দামান থেকে ঝাড়খণ্ডের ফেরার পথ খরচ জোগাড় করতে পারেননি ফুচা মাহালি। এদিকে সুদীপ নামে স্থানীয় এক মহাজন তার টাকাপয়সা কেড়ে নিয়েছিল বলেও অভিযোগ। এরপর ফুচা মাহালি জাহাজের শ্রমিক থেকে হয়ে গেলেন কার্যত ক্রীতদাস। দুবেলা খেতে পাওয়ার বিনিময়ে সুদীপের কাছেই কাজ করা শুরু করতে বাধ্য হয়েছিলেন ফুচা। কাঠ কাটা থেকে বাড়ি পরিষ্কার সবই করতে হত ফুচাকে। সেই শুরু।

প্রায় ৪০ বছর পর সেই ফুচাই ফিরে আসার সুযোগ পেলেন বাড়িতে। সেটাও আবার ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের সহযোগিতায়। ৭০ বছরের বৃদ্ধ ফিরলেন নিজের রাজ্যে। আসলে দীর্ঘ বছর ধরে ফুচার স্ত্রী সন্তান চেষ্টা চালিয়েছেন তাঁকে ফেরৎ আনতে। অবশেষে সেই প্রচেষ্টা সফল হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে শ্রম দফতর ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার উদ্যোগে তাঁকে  বিমানে চাপিয়ে নিয়ে আসা হয় রাঁচিতে। নিজের রাজ্যে ফিরিয়ে আনার পরেই বিধানসভায় মুখ্য়মন্ত্রীর কাছেও দেখা করতে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। যে মানুষটার এতদিন কেটেছে কার্যত বন্দিদশায়, চারদিকে সমুদ্র, বাইরের সঙ্গে যোগাযোগ বলতে একটা রেডিও। সেই ফুচা মাহালি শেষ জীবনে দেখলেন প্রিয়জনের মুখ।

 

সিনেমার চিত্রনাট্যকেও হার মানায় জীবনের কোনও কোনও ঘটনা। এই যেমন ঝাড়খণ্ডের গুমলা জেলার বিষ্ণুপুরের বাসিন্দা ফুচা মাহালি। কলকাতার জাহাজ সংস্থার শ্রমিকের চাকরি নিয়ে আন্দামান গিয়েছিলেন তিনি। ভেবেছিলেন চাকরির টাকা থেকে বাঁচিয়ে সংসারে টাকা পাঠাবেন। কিন্তু ভাগ্য়ের কী পরিহাস! বন্ধ হয়ে গেল জাহাজ সংস্থা। এদিকে স্বাভাবিকভাবেই কাজ যায় ফুচা মাহালির। কিন্তু আন্দামান থেকে ঝাড়খণ্ডের ফেরার পথ খরচ জোগাড় করতে পারেননি ফুচা মাহালি। এদিকে সুদীপ নামে স্থানীয় এক মহাজন তার টাকাপয়সা কেড়ে নিয়েছিল বলেও অভিযোগ। এরপর ফুচা মাহালি জাহাজের শ্রমিক থেকে হয়ে গেলেন কার্যত ক্রীতদাস। দুবেলা খেতে পাওয়ার বিনিময়ে সুদীপের কাছেই কাজ করা শুরু করতে বাধ্য হয়েছিলেন ফুচা। কাঠ কাটা থেকে বাড়ি পরিষ্কার সবই করতে হত ফুচাকে। সেই শুরু।

প্রায় ৪০ বছর পর সেই ফুচাই ফিরে আসার সুযোগ পেলেন বাড়িতে। সেটাও আবার ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের সহযোগিতায়। ৭০ বছরের বৃদ্ধ ফিরলেন নিজের রাজ্যে। আসলে দীর্ঘ বছর ধরে ফুচার স্ত্রী সন্তান চেষ্টা চালিয়েছেন তাঁকে ফেরৎ আনতে। অবশেষে সেই প্রচেষ্টা সফল হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে শ্রম দফতর ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার উদ্যোগে তাঁকে  বিমানে চাপিয়ে নিয়ে আসা হয় রাঁচিতে। নিজের রাজ্যে ফিরিয়ে আনার পরেই বিধানসভায় মুখ্য়মন্ত্রীর কাছেও দেখা করতে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। যে মানুষটার এতদিন কেটেছে কার্যত বন্দিদশায়, চারদিকে সমুদ্র, বাইরের সঙ্গে যোগাযোগ বলতে একটা রেডিও। সেই ফুচা মাহালি শেষ জীবনে দেখলেন প্রিয়জনের মুখ।

|#+|

 

 

 

 

 

 

 

 

  

বন্ধ করুন