বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > ডুবন্ত মৎস্যজীবীদের নৌকা উদ্ধার করল তরুণ, ড্রোনের সাহায্যে বাজিমাত
দেবাং সুবিল
দেবাং সুবিল

ডুবন্ত মৎস্যজীবীদের নৌকা উদ্ধার করল তরুণ, ড্রোনের সাহায্যে বাজিমাত

  • আরব সাগর থেকে চার মৎস্যজীবীকে বাঁচিয়ে ১৯ বছরের তরুণ এখন কার্যত হিরো হয়ে গিয়েছেন। তিনি ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্র।

এবার ড্রোনের মাধ্যমে চার মৎস্যজীবীর প্রাণ বাঁচালেন এক তরুণ। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই জোর চর্চা শুরু হয়েছে। আরব সাগর থেকে চার মৎস্যজীবীকে বাঁচিয়ে ১৯ বছরের তরুণ এখন কার্যত হিরো হয়ে গিয়েছেন। তিনি ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্র।

ঘটনাটি ঘটেছে কেরালায়। মৎস্যজীবীদের নৌকা যখন ডুবন্ত তখন সেখানে ঝাঁপিয়ে পড়ে উদ্ধারকারী দল। কিন্তু তারা সামলাতে না পেরে ডুবে যাচ্ছিলেন। আসলে ত্রিশূরের নাটিকা সৈকতে একটি মৎস্যজীবীদের নৌকা নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিল। তা খুঁজতে গিয়েছিলেন মৎস্যজীবীরা এবং উদ্ধারকারী দল। তখন তরুণ দেবাং সুবিল তাঁদেরকে সাহায্য করতে চেয়ে ছিলেন। কিন্তু তাঁকে কেউ পাত্তা দেয়নি। অনেকে বলেছিলেন, এই কাজটা কি ছেলের হাতের মোয়া!‌

তারপর কী ঘটল?‌ জানা গিয়েছে, তারপর তা উদ্ধার করতে গিয়ে সবাই ডুবে যাচ্ছিলেন। সেই খবর পেয়ে স্থানীয় বিধায়ক গীতা গোপী পুলিশ এবং উদ্ধারকারী দলকে খবর দেন। তখন এই তরুণ দেবাং সুবিল একটি নৌকা ও ড্রোন নিয়ে আরব সাগরে নেমে পড়েন এবং সবাইকে উদ্দার করেন। যা সবাইকে চমকে দিয়েছে।

এই বিষয়ে তরুণ দেবাং সুবিল বলেন, ‘‌এটা আমার প্রথম গভীর সমুদ্র যাত্রা। যখন আমার নৌকা উপকূল থেকে ১১ নটিক্যাল মাইল দূরে তখন আমি ড্রোন ছাড়ি। ২০ মিনিট পর ড্রোন প্রথম ছবি পাঠাল মোবাইলে। সেটা দেখে বুঝতে পারলাম ডুবন্ত নৌকা থেকে আর্ত চিৎকার করছেন মৎস্যজীবীরা। আর বাকিরা অজ্ঞান হয়ে পড়ে রযেছেন। তখন সেখানে পৌঁছলাম এবং সবাইকে উদ্ধার করে নিয়ে এলাম।’‌

এখন এই চারজন মৎস্যজীবী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। বিধায়ক গীতা গোপী বলেন, ‘‌আমরা এই তরুণকে স্যালুট করছি তাঁর সাহসিকতা এবং বুদ্ধিমত্তার জন্য। সরকারকে প্রস্তাব দিয়েছি তাঁকে বিশেষ পুরষ্কার দেওয়ার জন্য।’‌ করোনা পরিস্থিতিতে কলেজ বন্ধ থাকায় গ্রামের বাড়িতে এসেছিলেন তিনি। বেঙ্গালুরুর ক্রাইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে বি–টেক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র।

বন্ধ করুন