বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > সেনায় মহিলাদের স্থায়ী কমিশনের মূল্যায়নে পর্যায়ক্রমিক 'বৈষম্য' : সুপ্রিম কোর্ট
সুপ্রিম কোর্ট। (ফাইল ছবি, সৌজন্য হিন্দুস্তান টাইমস)
সুপ্রিম কোর্ট। (ফাইল ছবি, সৌজন্য হিন্দুস্তান টাইমস)

সেনায় মহিলাদের স্থায়ী কমিশনের মূল্যায়নে পর্যায়ক্রমিক 'বৈষম্য' : সুপ্রিম কোর্ট

  • ‌ভারতীয় সেনাবাহিনীতে মহিলাদের স্থায়ী কমিশনে যাওয়ার জন্য নিয়োগ প্রক্রিয়াকে অযৌক্তিক বলল সুপ্রিম কোর্ট।

‌ভারতীয় সেনাবাহিনীতে মহিলাদের স্থায়ী কমিশনে যাওয়ার জন্য নিয়োগ প্রক্রিয়াকে অযৌক্তিক বলল সুপ্রিম কোর্ট। স্থায়ী কমিশনে নিয়োগ প্রক্রিয়াকে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা করেন ৮৬ জন মহিলা অফিসার। সেই মামলাতেই শীর্ষ আদালত এই মন্তব্য করেছে।

শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, স্বাস্থ্যবিধির নিরিখে যে সমস্ত মহিলা অফিসারদের বাদ দেও্য়া হয়েছে, তাদের বিষয়টি ফের পুনর্বিবেচনা করতে হবে। দু'মাসের মধ্যে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এর মধ্যে যাঁদের কার্যকালের মেয়াদ ১৪ থেকে ২০ বছরের মধ্যে রয়েছে, সেইসব মহিলা শর্ট সার্ভিস কমিশনড অফিসারদের এখনই কাজ থেকে অব্যাহতি দেওয়া যাবে না।আদালতের পূর্বের আদেশ অনুযায়ী, ওই সব মহিলা অফিসাররা যাতে সবরকম সুযোগ সুবিধা পান, সেই বিষয়টিকেও নজরে রাখতে হবে। বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় ও বিচারপতি এম আর শাহের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, এই ব্যবস্থার পরিবর্তন প্রয়োজন। এই ধরনের মান মূল্যায়ন শর্ট সার্ভিস কমিশনে থাকা মহিলা অফিসারদের জন্য বৈষম্যমূলক। তাঁদের উপর আর্থিক ও মানসিক প্রভাব ফেলেছে।

মামলাকারীদের তরফে আদালতের কাছে দাবি জানানো হয়, এই একই পেশায় যুক্ত পুরুষ অফিসারদের ক্ষেত্রে যেমন তাঁদের কার্যকালের পঞ্চম ও দশম বছরে স্থায়ী কমিশনে যাওয়ার সুযোগ থাকে, তেমনি মহিলাদের ক্ষেত্রে সেই সুযোগ দেওয়া হয় না। তাঁরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। এই পরিপ্রেক্ষিতে শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণও একই। আদালত মনে করছে, যে মাপকাঠির উপর দাঁড়িয়ে মহিলাদের স্থায়ী কমিশনে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি বিবেচিত হয়, সেটিকে পুনরায় বিবেচনা করা প্রয়োজন। সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, স্থায়ী কমিশনের জন্য যে বিষয়গুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে, তাতে মহিলাদের দক্ষতাকে অগ্রাহ্য করা হয়েছে। প্রচুর মহিলা অফিসার তাঁদের বীরত্ব ও দক্ষতার জন্য পুরস্কার পেয়েছেন। কিন্তু এসব কিছুই গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। ডিভিশন বেঞ্চের তরফে বলা হয়েছে, ‘সেনা মূল্যায়নের যে মানদণ্ড ঠিক করেছে, পর্যায়ক্রমে মহিলাদের প্রতি বৈষম্য তৈরি করেছে।’

বন্ধ করুন