বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > স্কুল থেকে জেলে সরানো হল অর্ণবকে, 'দেশের জন্য কাজ করছেন', দাবি স্ত্রী'র
আলিবাগ থেকে অর্ণব গোস্বামীকে নবি মূম্বইয়ের তাজালো জেলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। (ছবি সৌজন্য পিটিআই)
আলিবাগ থেকে অর্ণব গোস্বামীকে নবি মূম্বইয়ের তাজালো জেলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। (ছবি সৌজন্য পিটিআই)

স্কুল থেকে জেলে সরানো হল অর্ণবকে, 'দেশের জন্য কাজ করছেন', দাবি স্ত্রী'র

  • জেলের কোয়ারেন্টাইন কেন্দ্রে রাখা হবে অর্ণবকে।

এতদিন আলিবাগ প্রাথমিক স্কুলে রাখা হয়েছিল। সেখান থেকে রবিবার সকালে রিপালবিক টিভির এডিটর-ইন-চিফ অর্ণব গোস্বামীকে নবি মুম্বইয়ের তালজোলা জেলে স্থানান্তরিত করা হল।

মহামারীর জন্য আলিবাগ প্রাথমিক স্কুলকে রায়গড় জেলার জেলের অস্থায়ী কোভিড-কেন্দ্র হিসেবে তৈরি করা হয়েছে। বিচারবিভাগীয় হেফাজতের পর থেকে অর্ণবকে সেখানে রাখা হয়েছিল। তালজোলা জেলের পুলিশ সুপার কৌস্তুভ কুর্লেকর বলেন, 'কয়েকদিন তাঁকে জেলের কোয়ারেন্টাইন কেন্দ্রে রাখা হবে। সেখান থেকে তাঁকে ব্যারাকে পাঠানো হবে।'

তারইমধ্যে একটি বিবৃতি জারি অর্ণবের 'অবিলম্ব মুক্তির' আর্জি জানিয়েছেন সাংবাদিকের স্ত্রী সাম্যব্রত রায় গোস্বামী। একইসঙ্গে 'মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং বাড়াবাড়ির' জন্য মহারাষ্ট্র সরকারকেও একহাত নিয়েছেন। বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, 'তালজোলা জেলে নিয়ে যাওয়ার জন্য রবিবার সকালে আমার স্বামীকে টেনেহিঁচড়ে অন্ধকারাচ্ছন্ন পুলিশ ভ্যানে তোলে মহারাষ্ট্র পুলিশ। যিনি চার রাত বিচারবিভাগীয় হেফাজতে ছিলেন। তিনি বারবার বলতে থাকেন, আমার জীবন বিপদের মধ্যে আছে। কিন্তু কোনও লাভ হয়নি। উনি বারবার বলেছেন, আইনজীবীর সঙ্গে দেখা করতে চাইলে তাঁকে বারবার হেনস্থা করেছেন জেলার। যা অভাবনীয়ভাবে অস্বীকার করা হয়। এই হেফাজতে থাকার সময় হেনস্থার বিষয়ে জানিয়েছেন উনি এবং হস্তক্ষেপ ও জামিনের জন্য হাতজোড় করে সুপ্রিম কোর্টের কাছে আর্জি জানিয়েছেন। একজন নিরীহ মানুষ এবং কয়েক দশকের খ্যাতিসম্পন্ন সাংবাদিককে হেনস্থা করা হয়েছে। মিথ্যা মামলায় জড়ানো হয়েছে। যিনি দেশের জন্য কাজ করছেন। কোনওরকম রেহাই না দিয়েই তাঁকে জেলে ঢোকানো হয়েছে।'

২০১৮ সালের আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার মামলায় গত ৪ নভেম্বর অপর দুই অভিযুক্তের পাশাপাশি অর্ণবকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সেদিনই অর্ণবকে ১৪ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতের নির্দেশ দেয় আলিবাগের একটি আদালত। সেই গ্রেফতারির বিরুদ্ধে বম্বে হাইকোর্টে আর্জি জানান অর্ণব। কিন্তু সেখানে এখনও স্বস্তি মেলেনি তাঁর।

বন্ধ করুন