বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > নাম বদলে গেল ডিটেনশন সেন্টারের, মানবিকতার ছোঁয়া আনতে নয়া ছক!
NRC-CAA বিরোধী প্রতিবাদ হয়েছে দেশ জুড়েই  (ফাইল ছবি)
NRC-CAA বিরোধী প্রতিবাদ হয়েছে দেশ জুড়েই  (ফাইল ছবি)

নাম বদলে গেল ডিটেনশন সেন্টারের, মানবিকতার ছোঁয়া আনতে নয়া ছক!

  • গত মাসে অসমের মুখ্যমন্ত্রী রাজ্য বিধানসভায় জানিয়েছিলেন, ‘বর্তমানে ওই ডিটেনশন সেন্টারগুলিতে ১৮১জন আবাসিক রয়েছেন।’

এতদিন নাম ছিল ডিটেনশন সেন্টার। নথিপত্র ছাড়া বিদেশি অথবা অবৈধভাবে অনুপ্রবেশকারীদের যেখানে রাখা হত সেই জায়গাকেই ডিটেনশন সেন্টার হিসাবে নাম দেওয়া হয়েছিল। তবে এই ডিটেনশন সেন্টারকে ঘিরে বার বার প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে অসম সরকারকে। অমানবিকভাবে এই ক্যাম্পে আটকে রাখা হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছিল। এবার সেই সেন্টারের নাম বদলে নতুন নামকরণ করল অসম সরকার। নতুন নাম দেওয়া হয়েছে ট্রানসিট ক্যাম্প। স্বরাষ্ট্র দফতরের মুখ্যসচিব নীরজ ভার্মা গত ১৭ই অগস্ট একটি নোটিফিকেশন জারি করেন, সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে ডিটেনশন সেন্টারের নাম বদলে নতুন নাম হয়েছে ট্রানসিট ক্যাম্প। 

 

নাম প্রকাশে ইচ্ছুক এক আধিকারিকের দাবি, দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা এই সিদ্ধান্ত নেন। মূলত মানবিক শোনানোর জন্যই এই নাম বদল করা হয়েছে। একজন আধিকারিক জানিয়েছেন, ডিটেনশন সেন্টার নামটা অনেকটা কনসেনট্রেশন ক্যাম্পের মতো শুনতে লাগে। কিন্তু বাস্তবে তা নয়। এটা শুধু নাম বদল হয়েছে। অন্য় কিছু নয়। একটু যাতে ব্যাপারটা মানবিক শুনতে লাগে সেজন্য এই নাম বদল। 

এদিকে সূত্রের খবর, ডিব্রুগড়, কোকড়াঝাড়, গোয়ালপাড়া, জোড়হাট, তেজপুর, শিলচর জেলের ভেতরে এই ডিটেশন সেন্টার রয়েছে। সব মিলিয়ে ৬টি ডিটেশনশ সেন্টার রয়েছে অসমে। এদিকে গত মাসে অসমের মুখ্যমন্ত্রী রাজ্য বিধানসভায় জানিয়েছিলেন, বর্তমানে ওই ডিটেনশন সেন্টারগুলিতে ১৮১জন আবাসিক রয়েছেন। ২০০৯ সাল থেকে এখনও পর্যন্ত ২০জন নানা কারণে এই ডিটেনশন ক্যাম্পগুলিতে মারা গিয়েছে। এদিকে অসম কংগ্রেসের মিডিয়া ইন-চার্জ ববিতা শর্মা বলেন, ‘ট্রানসিট ক্যাম্প মানে যেখানে সাময়িকভাবে আটক রেখে ছেড়া দেওয়া হয়। নাম বদলের সঙ্গে ক্যাম্পগুলিকে সার্বিকভাবে কী বদল হয়েছে সেটাও সরকারকে পরিষ্কার করতে হবে।’

 

বন্ধ করুন