বাড়ি > ঘরে বাইরে > স্কুল খোলা নিয়ে অনিশ্চয়তা, অসমে কমল দ্বাদশ শ্রেণির পাঠ্যক্রম
অসমে কমল দ্বাদশ শ্রেণির পাঠ্যক্রম (ছবিটি প্রতীকী. সৌজন্য পিটিআই)
অসমে কমল দ্বাদশ শ্রেণির পাঠ্যক্রম (ছবিটি প্রতীকী. সৌজন্য পিটিআই)

স্কুল খোলা নিয়ে অনিশ্চয়তা, অসমে কমল দ্বাদশ শ্রেণির পাঠ্যক্রম

  • যে পড়ুয়ারা মেডিক্যাল ও ইঞ্জিনিয়ারিং শাখায় পড়াশোনা করতে ইচ্ছুক, তারা খুব একটা সুবিধা পাবে না।

করোনারভাইরাসের দাপটে পড়ুয়ারা স্কুলে যেতে পারছে না। এই পরিস্থিতিতে চলতি শিক্ষাবর্ষে দ্বাদশ শ্রেণির ৩০ শতাংশ পাঠ্যক্রম কমানোর পথে হাঁটল অসম উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ (AHSEC) ।

গত মাসে সংসদের এক উচ্চপদস্থ কর্তা জানিয়েছিলেন, পাঠ্যক্রম কমানোর বিষয়ে কলেজ ও স্কুলগুলির থেকে মতামত চাওয়া হয়েছিল। করোনা পরিস্থিতিতে অধিকাংশ অধ্যক্ষ পাঠ্যক্রমের বোঝা কমানোর পক্ষে সওয়াল করেছেন। তার ভিত্তিতে সংসদকে একটি অ্যাকাডেমিক কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন শিক্ষামন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। বিজ্ঞান, বাণিজ্য ও কলা বিভাগের পাঠ্যক্রম থেকে কোন কোন বিষয় বাদ দেওয়া যেতে পারে, তা নিয়ে একপ্রস্থ মতামত গ্রহণ করা হয়। তারপর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিটি।

মঙ্গলবার সংসদের সচিব মনোরঞ্জন কাকোতি বলেন, ‘আমরা সরাসরি অধ্যায় বা মৌলিক বিষয়গুলি বাদ দেওয়ার পক্ষে নই। তবে আগের পাঠ্যক্রমগুলির যেখানে কিছুটা পুনরাবৃত্তি ঘটেছে, সেগুলি বাদ দিয়েছি।’

সংসদ সূত্রে খবর, অসমে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। সেই অবস্থায় ফের কবে স্কুল খুলবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। সেজন্য গত ১৯ অগস্ট অ্যাকাডেমিক কমিটির বৈঠকে পাঠ্যক্রম কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, কেন্দ্র এখনও স্কুল খোলার পক্ষপাতী নয় বলে খবর। চতুর্থ পর্যায়ের আনলকেও সম্ভবত স্কুল খোলার অনুমতি দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন আধিকারিকরা।

তবে এখনও পর্যন্ত সংশোধিত পাঠ্যক্রমের বিষয়ে জানানো হয়নি। আগামী মাসেই তা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে। সংসদের এক কর্তা জানিয়েছেন, যে পড়ুয়ারা মেডিক্যাল ও ইঞ্জিনিয়ারিং শাখায় পড়াশোনা করতে ইচ্ছুক, তাদের পুরো পাঠ্যক্রম পড়তে হবে। নাহলে সর্বভারতীয় প্রবেশিকা পরীক্ষায় তাঁরা সমস্যার সম্মুখীন হবে। ওই কর্তা বলেন, ‘শুধুমাত্র বোর্ড এবং চূড়ান্ত পরীক্ষার জন্য কোর্সের বিষয়বস্তু কমানো হচ্ছে। যে বিজ্ঞান শাখার পড়ুয়ারা নিট বা জয়েন্ট দেবে, তারা খুব একটা সুবিধা পাবে না।’

বন্ধ করুন