সরকারি সাহায্যে ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালাবে না অসম সরকার।
সরকারি সাহায্যে ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালাবে না অসম সরকার।

অসমে বন্ধ হবে মাদ্রাসা ও টোল, বদলে চালু হবে স্কুল

  • সরকারি সাহায্যে চলা মাদ্রাসা ও টোলগুলি আগামী ৪-৫ মাসের মধ্যে বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ওই সমস্ত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষকরা অবসর নেওয়া পর্যন্ত নিয়মিত বেতন পাবেন, কিন্ত পড়াতে পারবেন না।

রাজ্যে মাদ্রাসা ও সংস্কৃত টোলের বদলে এবার চালু হবে সাধারণ স্কুল। বুধবার এই ঘোষণা করেছে অসমের শিক্ষামন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা।

সাংবাদিক বৈঠকে অসমের শিক্ষামন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা জানিয়েছেন, ‘সরকারি সাহায্যে চলা মাদ্রাসা ও টোলগুলি আগামী ৪-৫ মাসের মধ্যে বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আরবি ভাষায় অথবা অন্য কোনও ভাষায় ধর্মীয় শিক্ষাদান সরকারের কর্তব্যের মধ্যে পড়ে না।’

রাজ্য মাদ্রাসা বোর্ডের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে অসমে ৬১২টি সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্বীকৃত মাদ্রাসা চালু রয়েছে। ইসলামি শিক্ষা সম্পর্কে পড়ুয়াদের প্রশিক্ষণ দেওয়া ছাড়া সেখানে অন্যান্য বিষয়ও পড়ানো হয়।

একই ভাবে আপাতত ১০১টি সরকারি সাহায্যে চলা সংস্কৃত টোল রয়েছে এই রাজ্যে। রাজ্য সংস্কৃত পর্ষদের পরিচালনায় সেখানে হিন্দু ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি অন্যান্য বিষয়েও পড়াশোনা হয়।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সরকারি অর্থে চালু মাদ্রাসা ও টোলগুলিকে এবার উচ্চ এবং উচ্চ মাধ্যমিক স্কুলে রূপান্তর করা হবে। তিনি বলেন, ‘বেসরকারি মাদ্রাসা ও টোলে ধর্মীয় শিক্ষাদান সম্পর্কে আমাদের কোনও আপত্তি নেই। ওই সমস্ত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষকরা অবসর নেওয়া পর্যন্ত নিয়মিত বেতন পাবেন কিন্তু তাঁরা সেখানে পড়াতে পারবেন না।’

প্রসঙ্গত, এর আগেও এই ধরনের ঘোষণা করেছেন অসমের শিক্ষামন্ত্রী। ২০১৭ সালের মে মাসে অসমে বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় আসার পরে একই ঘোষণা করেছিলেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা।

সেই সময় তিনি জানিয়েছিলেন, মাদ্রাসা এবং টোলগুলিতে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ চালু করা হবে। সেই প্রতিশ্রুতি অবশ্য এখনও পর্যন্ত বাস্তবায়িত হয়নি।

বন্ধ করুন