বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > আজমলের আর্মি আমাদের মেয়েদের স্পর্শ করলে শাস্তি মৃত্যুদণ্ড- হিমন্ত বিশ্বশর্মা
হিমন্ত বিশ্বশর্মা
হিমন্ত বিশ্বশর্মা

আজমলের আর্মি আমাদের মেয়েদের স্পর্শ করলে শাস্তি মৃত্যুদণ্ড- হিমন্ত বিশ্বশর্মা

আগামী ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি পুননির্বাচিত হয়ে রাজ্যে আবারও ক্ষমতায় এলে রাজ্যে বেড়ে চলা লাভ জিহাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করবে।

আগামী ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি পুননির্বাচিত হয়ে রাজ্যে আবারও ক্ষমতায় এলে রাজ্যে বেড়ে চলা লাভ জিহেদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করবে। এই কথাই স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিলেন অসমের মন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। উল্লেখ্য, ১২৬ আসনের অসম বিধানসভা নির্বাচন ২০২১ সালের মার্চ–এপ্রিল নাগাদ হওয়ার কথা।

ধিব্রুগড়ে মহিলা মোর্চার সভায় গিয়ে অসমের মন্ত্রী সাফ জানিয়ে দেন, ‘‌যদি কোনও পুরুষ তার ধর্মীয় পরিচয় গোপন রেখে কোনও অসমিয়া মহিলার প্রতি কটূক্তি করে, তাহলে তার পরিণাম ভালো হবে না। তাকে কঠিন শাস্তির মুখে পড়তে হবে। রাজ্যে কোথাও মহিলাদের বিরুদ্ধে অপরাধ হলে অপরাধীদের সর্বোচ্চ সাজা দেওয়া হবে।’‌

হিমন্ত বিশ্বশর্মা বলেন, ‘‌ফেসবুক আর বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই নিজের ধর্ম লুকিয়ে হিন্দু মেয়েদের প্রেমের ফাঁদে ফেলছে।’‌ তিনি অসমের সাংসদ তথা এআইইউডিএফ প্রধান বদরুদ্দিন আজমলকে আক্রমণ করে বলেন, ‘‌আমরা প্রতিজ্ঞা করছি, এই আজমলের আর্মি আমাদের মেয়েদের স্পর্শ করলে তাঁদের একমাত্র শাস্তি হবে মৃত্যুদণ্ড। আগামী দিনে আমরা লাভ জেহাদের বিরুদ্ধে লড়াই করার সংকল্প নিয়েই এগিয়ে চলছি।’‌

একইসঙ্গে হেমন্তের হুশিয়ারি, যদি আজমলের বাহিনী এভাবে অসমিয়া মহিলাদের ওপর হামলা চালায়, তাহলে তাদের একটাই শাস্তি। মৃত্যুদণ্ড দেওয়া ছাড়া কিছু নয়। এবার এটার একটা হেস্তনেস্ত হওয়া দরকার। এদিন সতর্ক করে দিয়ে হেমন্ত জানান, সমাজকে আজমলের মতো লোকের হাত থেকে বাঁচাতে হবে। তাহলে অসমের সভ্যতা সংস্কৃতি বাঁচবে। যদি আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে লড়াই চালিয়ে যেতে না পারি, তাহলে ১৫ বছর পর আমাদের অসমে থাকাই দুষ্কর হয়ে যাবে। ইতিমধ্যে কিছু মানুষের ষড়যন্ত্রের কারণে বিজেপি তার ৫টি জেতা আসন খুইয়েছে। যদি অসমের ৬৫ শতাংশ লোক এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে না নামে তাহলে অসমের সভ্যতাকে বাঁচানো যাবে না। আমরা ২০১৬ সালের সরিয়াঘাট যুদ্ধ নিয়ে কথা বলি। কিন্তু আমাদের সেই সংগ্রাম থেমে যায়নি। আজমলের দলকে রাজনৈতিকভাবে শেষ না করা পর্যন্ত তাদের এই লড়াই চলবে।

বিজেপি’‌র এই মন্ত্রী জানান, তাদের লড়াই এখনও শেষ হয়নি। সরকার রাষ্ট্র পরিচালিত সব মাদ্রাসাগুলিকে বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমাদের লড়াই শঙ্কার আজান পীরের সংস্কৃতির বিরুদ্ধে। আমাদের এখানে সুফি সংস্কৃতি গড়ে উঠুক যা সৌভ্রাতৃত্বের কথা বলে। আমাদের মাদ্রাসার শিক্ষা চাই না'। তিনি এও বলেন, একটি ধর্মনিরপেক্ষ দেশ আর রাজ্যে সরকারি টাকায় কোনও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান চলতে পারে না।

বন্ধ করুন