বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > ছত্তিশগড়ে মাওবাদী এনকাউন্টারে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা, ২২ জওয়ানের দেহ উদ্ধার
ছত্তিশগড়ে মাওবাদীদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে মৃতের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। (ছবি সৌজন্য এএনআই)
ছত্তিশগড়ে মাওবাদীদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে মৃতের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। (ছবি সৌজন্য এএনআই)

ছত্তিশগড়ে মাওবাদী এনকাউন্টারে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা, ২২ জওয়ানের দেহ উদ্ধার

এনকাউন্টারে তপ্ত হয়ে ওঠে বস্তার অঞ্চলের বিজাপুর ও সুকমা জেলা।

ছত্তিশগড়ে মাওবাদীদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে মৃতের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। বিজাপুরের পুলিশ সুপার কমলচরণ কাশ্যপকে উদ্ধৃত করে সংবাসংস্থা এএনআই জানিয়েছে, ২২ জন জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে। 

শনিবার ছত্তিশগড়ের বিজাপুর এলাকার তেররামের জঙ্গলে মাওবাদীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলির লড়াই হয়। এনকাউন্টারে তপ্ত হয়ে ওঠে বস্তার অঞ্চলের বিজাপুর ও সুকমা জেলা। তারপর থেকে এই নিরাপত্তা বাহিনীর জওয়ানদের কোনও খোঁজ মিলছে না বলে রবিবার আধিকারিকরা জানিয়েছেন।

শনিবার ছত্তিশগড়ে মাওবাদীদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে প্রাণ হারান নিরাপত্তা বাহিনীর পাঁচ জওয়ান৷ জখম হয়েছেন আরও কয়েকজন জওয়ান৷ পুলিশ সূত্রে খবর, এদিন মাওবাদীদের খোঁজে যৌথ অভিযান চালাচ্ছিল সিআরপিএফের কোবরা বাহিনী, ডিআরজি এবং এসটিএফ৷ তাদের কাছে ওই এলাকায় মাওবাদী গতিবিধির খবর ছিল৷ তার ভিত্তিতেই নামা হয়েছিল অভিযানে বলে জানিয়েছেন ছত্তিশগড়ের ডিজিপি ডিএম অবস্থি। এই ঘটনায় কেঁপে ওঠে ছত্তিশগড়ের বিজাপুর।

পুলিশ সূত্রে খবর, এখানে আরও মৃত্যুর আসঙ্কা করা হচ্ছে। ওই জঙ্গলে একটা বড় টিম পাঠানো হয়েছে। ছত্তিশগড়ের ডিজিপি ডিএম অবস্থি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, সুকমা ও বিজাপুরের সীমানায় মাওবাদীদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছিলেন নিরাপত্তা বাহিনীর জওয়ানরা৷ তখনই তাঁদের ওপর হামলা চালায় মাওবাদীরা৷ পাল্টা জবাব দেয় বাহিনীও৷ আর তখনই গুলির লড়াই প্রাণ হারান পাঁচ জওয়ান৷

এর আগে গত ২৩ মার্চ নারায়ণপুর জেলায় নিরাপত্তা বাহিনীর একটি বাসে আইইডি হামলা চালায় মাওবাদীরা৷ তাতেও প্রাণ যায় পাঁচ ডিআরজি জওয়ানের৷ এই সুকমা, বস্তার–সহ সংলগ্ন এলাকা মাওবাদী অধ্যুষিত বলে পরিচিত।

বন্ধ করুন