বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > এই খাবারগুলি কি বাসি খান? সেই ভুল একদম করবেন না, ভুগতে পারেন বিভিন্ন রোগে

এই খাবারগুলি কি বাসি খান? সেই ভুল একদম করবেন না, ভুগতে পারেন বিভিন্ন রোগে

রাতের বেশি থাকা খাবার অনেকেই সকালে খেয়ে নেন। এর ফলে খাবার ফেলা না গেলেও নিজের অজান্তেই আমরা নানা রোগকে আমন্ত্রণ জানিয়ে থাকি। এমন কিছু খাবার আছে, যা বাসি খেলে নানা রোগ দেখা দিতে পারে। একনজরে দেখে নিন সেই খাবারগুলি -

ডিম- ডিমে সবচেয়ে বেশি সাল্মোনেলা থাকে। এটি এক ধরনের ব্যাক্টিরিয়া যা কাঁচা বা অর্ধেক সেদ্ধ ডিমে পাওয়া যায়। এর ফলে জ্বর, পেটে ব্যথা ও ডায়রিয়া হতে পারে। ফ্রিজে থাকা ডিমের তরকারি গরম না করে খাবেন না।
1/7ডিম- ডিমে সবচেয়ে বেশি সাল্মোনেলা থাকে। এটি এক ধরনের ব্যাক্টিরিয়া যা কাঁচা বা অর্ধেক সেদ্ধ ডিমে পাওয়া যায়। এর ফলে জ্বর, পেটে ব্যথা ও ডায়রিয়া হতে পারে। ফ্রিজে থাকা ডিমের তরকারি গরম না করে খাবেন না।
আলু- আলু রান্নার পর দীর্ঘ সময়ের জন্য রেখে দিলে তাতে ক্লোস্ট্রিডিয়ম বোটুলিনম নামক ব্যাকটেরিয়া জন্ম নিতে শুরু করে। ব্যাকটেরিয়ার ফলে পেটে গ্যাস ও মাথা ব্যথার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
2/7আলু- আলু রান্নার পর দীর্ঘ সময়ের জন্য রেখে দিলে তাতে ক্লোস্ট্রিডিয়ম বোটুলিনম নামক ব্যাকটেরিয়া জন্ম নিতে শুরু করে। ব্যাকটেরিয়ার ফলে পেটে গ্যাস ও মাথা ব্যথার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
পালক শাক- এতে অধিক পরিমাণে নাইট্রেট থাকে। বেশি রাঁধলে এটি কার্সিনোজেনিক নাইট্রোসেমাইন্সে পরিবর্তিত হয়ে যায়। তাই বাসি পালকের তরকারি ফ্রিজ থেকে বার করে গরম করে খাওয়া এড়িয়ে যাওয়াই ভালো। আবার বাসি তরকারি ফ্রিজ থেকে বার করে তৎক্ষণাৎ খেলে পেটের রোগ ও ত্বকের এলার্জি দেখা দিতে পারে।
3/7পালক শাক- এতে অধিক পরিমাণে নাইট্রেট থাকে। বেশি রাঁধলে এটি কার্সিনোজেনিক নাইট্রোসেমাইন্সে পরিবর্তিত হয়ে যায়। তাই বাসি পালকের তরকারি ফ্রিজ থেকে বার করে গরম করে খাওয়া এড়িয়ে যাওয়াই ভালো। আবার বাসি তরকারি ফ্রিজ থেকে বার করে তৎক্ষণাৎ খেলে পেটের রোগ ও ত্বকের এলার্জি দেখা দিতে পারে।
ভাত- স্বাভাবিক তাপমাত্রায় অনেকক্ষণ পর্যন্ত ভাত রেখে দিলে এতে বেসিলস ব্যাক্টিরিয়া সৃষ্টি হয়। বাসি ভাত গরম করে খেলে ফুড পয়জনিংয়ের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।
4/7ভাত- স্বাভাবিক তাপমাত্রায় অনেকক্ষণ পর্যন্ত ভাত রেখে দিলে এতে বেসিলস ব্যাক্টিরিয়া সৃষ্টি হয়। বাসি ভাত গরম করে খেলে ফুড পয়জনিংয়ের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।
মুরগির মাংস- কাঁচা মাংসেও সাল্মোনেলা ব্যাকটেরিয়া থাকে। অনেকক্ষণ পর্যন্ত ছেড়ে দিলে এই ব্যাকটেরিয়া দ্বিগুণ-তিনগুণ হারে বৃদ্ধি পেতে থাকে। ঠান্ডা, বাসি মাংস তাই এড়িয়ে যাওয়াই ভালো। তবে অনেকে বাসি মাংস মাইক্রোওয়েভে রান্না করেন। তা না করে অধিক তাপমাত্রায় গ্যাস ওভেনে রান্না করলে মাংসের মধ্যে উপস্থিত এই ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করা সম্ভব হয়।
5/7মুরগির মাংস- কাঁচা মাংসেও সাল্মোনেলা ব্যাকটেরিয়া থাকে। অনেকক্ষণ পর্যন্ত ছেড়ে দিলে এই ব্যাকটেরিয়া দ্বিগুণ-তিনগুণ হারে বৃদ্ধি পেতে থাকে। ঠান্ডা, বাসি মাংস তাই এড়িয়ে যাওয়াই ভালো। তবে অনেকে বাসি মাংস মাইক্রোওয়েভে রান্না করেন। তা না করে অধিক তাপমাত্রায় গ্যাস ওভেনে রান্না করলে মাংসের মধ্যে উপস্থিত এই ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করা সম্ভব হয়।
তেলেভাজা- এ ধরনের খাবার গরম করলে এর মধ্যে ক্ষতিকর কেমিক্যাল তৈরি হতে শুরু করে। এটি স্বাস্থ্যের অনুপযুক্ত। বাসি তেলেভাজা গরম না করে খান। তবে অল্প আঁচে গরম করে খেতে পারেন।
6/7তেলেভাজা- এ ধরনের খাবার গরম করলে এর মধ্যে ক্ষতিকর কেমিক্যাল তৈরি হতে শুরু করে। এটি স্বাস্থ্যের অনুপযুক্ত। বাসি তেলেভাজা গরম না করে খান। তবে অল্প আঁচে গরম করে খেতে পারেন।
সিফুড- মাছ বা যে কোনও সিফুড অধিক তাপমাত্রায় বার বার রান্না বা গরম করলে এতে ব্যাকটেরিয়া জন্ম নেওয়ার ভয় থাকে। এ ধরনের খাবারকে দু'ঘণ্টার বেশি ফ্রিজের বাইরে রাখা উচিত নয়।
7/7সিফুড- মাছ বা যে কোনও সিফুড অধিক তাপমাত্রায় বার বার রান্না বা গরম করলে এতে ব্যাকটেরিয়া জন্ম নেওয়ার ভয় থাকে। এ ধরনের খাবারকে দু'ঘণ্টার বেশি ফ্রিজের বাইরে রাখা উচিত নয়।
অন্য গ্যালারিগুলি