বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > 'শেষ রাম মন্দির আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়', কল্যাণের মৃত্যুতে শোকাহত অযোধ্যা
কল্যাণ সিং (ছবি সৌজন্যে টুইটার)
কল্যাণ সিং (ছবি সৌজন্যে টুইটার)

'শেষ রাম মন্দির আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়', কল্যাণের মৃত্যুতে শোকাহত অযোধ্যা

  • উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কল্যাণ সিংয়ের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই শোকের ছায়া নেমে আসে অযোধ্যায়।

উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কল্যাণ সিংয়ের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই শোকের ছায়া নেমে আসে অযোধ্যায়। আজও অযোধ্যার সাধুদের একটি বড় অংশ বিশ্বাস করেন যে রাম মন্দির নির্মাণের নেপথ্যে আসল নায়ক ছিলেন কল্যাণ সিং। কল্যাণ সিংয়ের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্টের প্রধান মহন্ত নৃত্য গোপাল দাস বলেন, 'রাম মন্দির আন্দোলনের পুরধা মারা গেলেন। এটা আমাদের জন্য খুব দুঃখের দিন। রাম মন্দির নির্মাণের আগেই তাঁর এই মৃত্যুতে আমরা শোকাহত।'

এদিকে ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই বলেন, '১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর যা হয়েছিল, তার পুরো দায় ভার নিয়েছিলেন কল্যাণ সিং। তাঁর সেই সাহস ছিল যে সেদিন যা হয়েছিল, তার দায়িত্ব তিনি নেবের একার কাঁধে।' এদিকে নিরমোহি অখাড়ার প্রধান মহন্দ দীনেন্দ্র দাস বলেন, 'রাম মন্দির আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ এক অধ্যায় শেষ হল।'

এদিকে মহন্ত কমল দাস বলেন, 'অযোধ্যায় রাম মন্দিরের নির্মাণের পথ তৈরি করে দিয়েছিলেন। যদি ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর কল্যাণ সিং উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী না হতেন, তাহলে রাম মন্দিরের স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে যেত।' এদিকে কল্যাণ সিংকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে লখনৌতে তাঁর বাড়ি যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

স্বাধীনতার পর দেশের অন্যতম উল্লেখযোগ্য ও রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা বাবরি মসজিদ ধ্বংস কাণ্ড। তখন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন কল্যাণ সিং। এই ঘটনার পর তিনি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ইস্তফা দিলেও এই ঘটনায় কখনও অনুশোচনা প্রকাশ করেননি। রামমন্দির নিয়ে আন্দোলনের 'নায়ক' হয়ে গিয়েছিলেন রামভক্ত কল্যাণ। পরবর্তীতে হিন্দুত্বের এই ভাবাবেগকে কাজে লাগিয়ে এই গেরুয়া দল শুধুমাত্র কেন্দ্রেই নয়, হিন্দু জনসংখ্যা অধ্যুষিত রাজ্যগুলিতেও ক্ষমতায় আসে।

বন্ধ করুন