বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > বিষাক্ত ইঞ্জেকশন নিয়ে আত্মঘাতী হলেন বাবা আমতের নাতনি শীতল আমতে
বিষ ইঞ্জেকশন প্রয়োগ করে আত্মঘাতী হলেন বিশ্বখ্যাত সমাদকর্মী বাবা আমতের নাতনি ডক্টর শীতল আমতে।
বিষ ইঞ্জেকশন প্রয়োগ করে আত্মঘাতী হলেন বিশ্বখ্যাত সমাদকর্মী বাবা আমতের নাতনি ডক্টর শীতল আমতে।

বিষাক্ত ইঞ্জেকশন নিয়ে আত্মঘাতী হলেন বাবা আমতের নাতনি শীতল আমতে

  • শরীরে বিষ ইঞ্জেকশন প্রবেশ করিয়ে তিনি আত্মঘাতী হয়েছেন। স্থানীয় সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত অবস্থায় নিয়ে আসা হয়েছে বলে ঘোষণা করেন।

আত্মঘাতী হলেন বিশ্বখ্যাত সমাজকর্মী বাবা আমতের নাতনি ডক্টর শীতল আমতে। সোমবার দুপুরে নাগপুর থেকে ১২৫ কিমি দূরে চন্দ্রপুর জেলার আনন্দবনের বাসভবনে তিনি আত্মহত্যা করেন। বয়স হয়েছিল ৪২ বছর। 

জানা গিয়েছে, শরীরে বিষ ইঞ্জেকশন প্রবেশ করিয়ে তিনি আত্মঘাতী হয়েছেন। স্থানীয় সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত অবস্থায় নিয়ে আসা হয়েছে বলে ঘোষণা করেন। এই খবর জানিয়েছেন প্রয়াত শীতল আমতের কাকা ম্যাগসেসে পুরস্কার বিজেতা ডক্টর প্রকাশ আমতে। 

প্রকাশ আমতে জানিয়েছেন, ‘আমরা গভীর শোকে আচ্ছন্ন। আনন্দবন আশ্রমের ট্রাস্টিদের মধ্যে মতান্তর চলছিল। কিন্তু আমরা তার একটি সমাধান খুঁজে পেয়েছিলাম, যা শীতলও মেনে নিয়েছেলেন। তাঁর এই চূড়ান্ত পদক্ষেপে আমরা বজ্রাহত।’

পেশায় চিকিৎসক শীতল আমতে বিশেষ ভাবে ক্ষমতা সম্পন্নদের চিকিৎসায় সুনাম অর্জন করেছিলেন। তিনি ভারতের অগ্রণী এনজিও মহারোগী সেবা সমিতির সিইও পদাধিকারী ছিলেন এবং সংস্থার বোর্ড সদস্য হিসেবেও সক্রিয় ছিলেন। যক্ষা, শারীরিক ভাবে প্রতিদ্বন্দ্বী, দৃষ্টিহীন এবং বধিরদের মতো প্রান্তিক মানুষ এবং আদিবাসীদের জন্য একাধিক আবাসন প্রকল্প নির্মাণ করেছে সমিতি। 

সোশ্যাল মিডিয়ায় অতীব সক্রিয় শীতম আমতে মৃত্যুর আট ঘণ্টা আগেও টুইটারে সক্রিয় ছিলেন। আনন্দবন আশ্রমের কাজকর্মে বিরক্ত শীতল তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে সে সম্পর্কে বহু বার পোস্ট করেছেন। পরে অবশ্য সে সব পোস্ট তিনি ডিলিটও করে দিয়েছিলেন।

২০১৬ সালের জানুয়ারি মাসে তিনি ওয়ার্ল্ড ইকনমিক ফোরামের দ্বারা ‘ইয়াং গ্লোবাল লিডার ২০১৬’ হিসেবে নির্বাচিত হন। 

 

 

 

বন্ধ করুন