বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > আবার বিস্ফোরণ হবে না তো! আতঙ্কে চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড ছাড়ছেন মানুষরা
আবার বিস্ফোরণ হবে না তো! আতঙ্কে চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড ছাড়ছেন মানুষরা। (ছবি সৌজন্যে পিটিআই)

আবার বিস্ফোরণ হবে না তো! আতঙ্কে চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড ছাড়ছেন মানুষরা

  • সকালে ডিপোর পাশের গ্রামের এক বাসিন্দা স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের পরের দিন ভয়ে তিনি তাঁর ছোটো দুই সন্তানকে আত্মীয়ের বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছেন, ভেবেছিলেন তাঁরা যাবেন না। কিন্তু বিস্ফোরণের আশঙ্কায় বাড়ি ছাড়ার জন্য তৈরি হচ্ছেন।

চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে গিয়েছে বিস্তীর্ণ এলাকা। সেই পরিস্থিতিতে মানুষজন ও ডিপোয় ভাড়া থাকা শ্রমিক-কর্মচারীরা এলাকা ছেড়ে গিয়েছেন।

বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, বিস্ফোরণ হওয়া ডিপোর শ্রমিক আবাসনগুলির অধিকাংশই খালি হয়ে গিয়েছে। আবার বিস্ফোরণ হতে পারে, এই আতঙ্কে এলাকা ছাড়ছেন  স্থানীয় বাসিন্দারা। ইতিমধ্যে বহু গ্রামের মানুষ আত্মীয়ের বাড়িতে চলে গিয়েছেন। অনেকে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। গ্রামের মানুষজন এতটাই আতঙ্কিত যে তাঁরা শিশুদের আগেই আত্মীয়ের বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়েছেন।

আরও পড়ুন: Chittagong Sitakunda Fire: ধোঁয়া ও কান্নায় বিভাষিকা চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে, বিধ্বংসী আগুনে মৃত বেড়ে ৪৯

জনপ্রতিনিধিরা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, শনিবার রাতে ডিপোতে বিস্ফোরণের পর থেকেই স্থানীয় বাসিন্দারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। তবে তাঁরা ভেবেছিলেন, আগুন দ্রুত নিভে যাবে। কিন্তু তা হয়নি।

আজ সকালে ডিপোর পাশের গ্রামের এক বাসিন্দা স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের পরের দিন ভয়ে তিনি তাঁর ছোটো দুই সন্তানকে আত্মীয়ের বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছেন, ভেবেছিলেন তাঁরা যাবেন না। কিন্তু বিস্ফোরণের আশঙ্কায় বাড়ি ছাড়ার জন্য তৈরি হচ্ছেন।

আরও পড়ুন: Chittagong Sitakunda Fire: 'রাসায়নিক আছে বলাই হয়নি', তাই সীতাকুণ্ড অগ্নিকাণ্ডে এত মৃত্যু, পলাতক ডিপোর মালিক

তারইমধ্যে বাণিজ্য ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বাংলাদেশের এক সংবাদপত্রকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে স্থানীয় এক ব্যবসায়ী জানিয়েছেন, কারখানা বন্ধ থাকা এবং আশেপাশের মানুষের এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার কারণে তাঁদের ব্যবসার বিপুল ক্ষতি হচ্ছে। 

বন্ধ করুন