বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > এক চতুর্থাংশ বেশি সময় মিলবে - বিশেষভাবে সক্ষম পরীক্ষার্থীদের জন্য নয়া নীতি বাংলাদেশে

এক চতুর্থাংশ বেশি সময় মিলবে - বিশেষভাবে সক্ষম পরীক্ষার্থীদের জন্য নয়া নীতি বাংলাদেশে

বিশেষভাবে সক্ষম পরীক্ষার্থীদের জন্য নতুন নিয়ম আনতে চলেছে বাংলাদেশ (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে পিটিআই)

রবিবার সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সেই খসড়া উপস্থাপিত করা হয়েছে।

পরীক্ষার সময়ে একাধিক সমস্যা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছিলেন বাংলাদেশের বিশেষভাবে সক্ষম পরীক্ষার্থীরা। তাঁদের সেই দাবি মেনে সমস্যা সমাধানে উদ্যোগী হল বাংলাদেশের সমাজকল্যাণ মন্ত্রক। বিশেষভাবে সক্ষম পরীক্ষার্থীদের জন্য নতুন নিয়ম আনতে চলেছে মন্ত্রক।

তাঁদের পরীক্ষায় সময় বাড়ানোর পাশাপাশি শ্রুতি লেখকদের যোগ্যতা সম্পর্কে বিষয়ে একটি সুনির্দিষ্ট নীতি নির্ধারণ করা হয়েছে। রবিবার সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সেই খসড়া উপস্থাপিত করা হয়েছে। বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি রাশেদ খান মেনন জানান, ‘যে খসড়া তৈরি হয়েছে, তা দ্রুতই বাস্তবায়ন করা হবে।’

নির্ধারিত নীতি অনুযায়ী, বিশেষভাবে সক্ষম পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষায় এক-চতুর্থাংশ বেশি সময় দেওয়ার পাশাপাশি শ্রুতিলেখক নিয়োগে কী কী যোগ্যতা থাকতে হবে, সে বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে। মন্ত্রক সূত্রে খবর, বিশেষভাবে সক্ষম পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষার সময় শ্রুতিলেখকের ব্যবস্থা আগে থাকলেও সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনও নিয়ম ছিল না। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বা বিভিন্ন নিয়োগকারী সংস্থার ক্ষেত্রে এ নিয়ে আলাদা আলাদা নিয়ম ছিল। ফলে সমস্যায় পড়তে হত পরীক্ষার্থীদের।

সেই কথা মাথায় রেখেই শ্রুতিলেখকদের যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাশেদ খান। তিনি বলেন, ‘বিশেষভাবে সক্ষম পরীক্ষার্থীদের জন্য যে নীতি নির্ধারিত হয়েছে, তা আগামী প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে পরীক্ষায় বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে। আগে প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠানে আলাদা আলাদা নিয়ম ছিল। তবে এবার সর্বক্ষেত্রেই বিশেষভাবে সক্ষম পরীক্ষার্থীদের জন্য একই নিয়ম থাকায় থাকলে তাদের অধিকার সুরক্ষিত হবে।’

শ্রুতি লেখকদের কী কী যোগ্যতা থাকতে হবে?

খসড়া অনুযায়ী, জেএসসি পরীক্ষার ক্ষেত্রে বিশেষভাবে সক্ষম পরীক্ষার্থীদের শ্রুতি লেখক থাকতে পারবে তার এক শ্রেণি নীচে যে কোনও শিক্ষার্থী। এসএসসি পরীক্ষার ক্ষেত্রে জেএসসির কোনও পড়ুয়া শ্রুতি লেখক থাকতে পারবেন। এইচএসসি পরীক্ষার ক্ষেত্রে এসএসসি পাস বা একাদশ শ্রেণির কোনও পড়ুয়া, একইভাবে স্নাতক ডিগ্রির ক্ষেত্রে শ্রুতিলেখক হতে পারবেন এক শ্রেণির নিচে যে কোনও পড়ুয়া।

বন্ধ করুন