বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > একসঙ্গে ৪৪ জন মৎস্যজীবীকে আটক করল পুলিশ, ফের বাংলাদেশে চলল ধরপাকড়
ইলিশ মাছ। ছবি : সংগৃহীত
ইলিশ মাছ। ছবি : সংগৃহীত

একসঙ্গে ৪৪ জন মৎস্যজীবীকে আটক করল পুলিশ, ফের বাংলাদেশে চলল ধরপাকড়

  • তাই ধরা যাবে না বলে ফরমান জারি করা হয়েছিল। এবার ফের বাংলাদেশের ভোলা থেকে আটক করা হল মৎস্যজীবীদের।

পদ্মা নদীতে পদ্মার ইলিশ ধরা যাবে না বলে আগেই শেখ হাসিনা সরকার ফরমান জারি করেছিলেন। কিন্তু তাতে কি!‌ মৎস্যজীবীদের কিছুতেই আটকানো যাচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। রোখা যেন যাচ্ছে না মা ইলিশ ধরা থেকে। দু’‌দিন আগেই শতাধিক মৎস্যজীবীকে আটক করেছিল সেখানকার পুলিশ। এখন ইলিশের প্রজননের সময়। তাই ধরা যাবে না বলে ফরমান জারি করা হয়েছিল। এবার ফের বাংলাদেশের ভোলা থেকে আটক করা হল মৎস্যজীবীদের।

এই ইলিশ ধরতে গিয়ে আটকের ঘটনায় জেলার মৎস্য কর্মকর্তা আজহারুল ইসলাম বলেন, ‘‌মা ইলিশের প্রজননের সময় এখন। তাই ২২ দিন বাংলাদেশের ৩৮টি নদীতে ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ করেছে সরকার। এই নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই মৎস্যজীবীরা মাছ ধরতে নেমেছিলেন। তাই ৪৪ জনকে আটক করা হয়েছে। এদের মধ্যে ১৩ জনের ৮৩ হাজার টাকা করে জরিমানাও করা হয়েছে।’‌

জানা গিয়েছে, এই মৎস্যজীবীদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে বড় জাল এবং ইলিশ মাছ। পাঁচটি নৌকা আটক করা হয়েছে। পদ্মা, মেঘনা–সহ অন্যান্য নদী থেকে রাতের অন্ধকারে জাল পেতে ইলিশ ধরছেন মৎস্যজীবী বা জেলেরা। যা সরকার করতে নিষেধ করেছে। তাই পুলিশ–প্রশাসনকে নদী এলাকায় নামিয়ে দেওয়া হয়েছে। যার জেরে চলছে ধরপাকড়।

উল্লেখ্য, বর্ষাকাল ইলিশের প্রজননের ক্ষেত্রে ভালো সময়। জেলা মৎস্য দফতর সূত্রে খবর, প্রত্যেক বছর আশ্বিনের পূর্ণিমার আগে ও পরে প্রায় ২২ দিন ইলিশের প্রজনন সময়। তাই ইলিশ ধরতে নিষেধ করে সরকার। তাই ৪ অক্টোবর থেকে আগামী ২৫ অক্টোবর ইলিশ ধরা বন্ধ। যারা বেআইনি পথে মাছ ধরার চেষ্টা করছে তাদের আটক করা হচ্ছে।

বন্ধ করুন