বাড়ি > ঘরে বাইরে > Bank and Rail Jobs: বছরে লাভবান হবেন ২.৫ কোটি প্রার্থী, 'অভিন্ন পরীক্ষা আশীর্বাদ হয়ে দাঁড়াবে', দাবি মোদীর
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (ফাইল ছবি, সৌজন্য পিটিআই)
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (ফাইল ছবি, সৌজন্য পিটিআই)

Bank and Rail Jobs: বছরে লাভবান হবেন ২.৫ কোটি প্রার্থী, 'অভিন্ন পরীক্ষা আশীর্বাদ হয়ে দাঁড়াবে', দাবি মোদীর

  • প্রাথমিকভাবে তিনটি নিয়োগ সংস্থা সেই অভিন্ন পরীক্ষা নেবে। পরে কেন্দ্রের ২০ টির মতো নিয়োগ সংস্থার ক্ষেত্রেই সেই অভিন্ন পরীক্ষা চালু করা হবে।

তাঁর নেতৃত্বেই জাতীয় নিয়োগ সংস্থা (ন্যাশনাল রিক্রুটমেন্ট এজেন্সি) গঠনে ছাড়পত্র দিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। পরে টুইটারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দাবি করলেন, দেশের কোটি কোটি যুবক-যুবতীর জন্য আশীর্বাদ হয়ে দাঁড়াবে নয়া নিয়োগ সংস্থা।

বুধবার বিকেলে একটি টুইটবার্তায় মোদী বলেন, ‘কোটি কোটি তরুণ-তরুণীর কাছে আশীর্বাদ হয়ে দাঁড়াবে জাতীয় নিয়োগ সংস্থা। অভিন্ন পরীক্ষার (কমন এলিজিবিটি টেস্ট) মাধ্যমে, আমরা একাধিক পরীক্ষা বাতিল করতে পারব এবং মূল্যবান সময়ের পাশাপাশি সম্পদ বাঁচাতে পারব। এটা স্বচ্ছতার পক্ষে আরও সহায়ক হবে।’

মোদীর টুইটের কিছুক্ষণ আগেই সাংবাদিক বৈঠকে কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়, জাতীয় নিয়োগ সংস্থা গঠনের জন্য ১৫১৭.৫৭ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। পুরো প্রক্রিয়াটি তিন বছরে সম্পন্ন হবে। পাশাপাশি অভিন্ন পরীক্ষার জন্য দেশের প্রায় ১১৭ টি জেলায় অনলাইনে পরীক্ষা নেওয়ার পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য বাড়তি অর্থ বরাদ্দ  করা হবে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর দাবি করেন, ‘নয়া ভারতের যুবপ্রজন্মের জন্য একটি বৈপ্লবিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে’ কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। তার ফলে প্রতি বছর ২.৫ কোটি চাকরিপ্রার্থী লাভবান হবেন বলে দাবি করেন জাভড়েকর।

একনজরে কেন্দ্রের নয়া সিদ্ধান্ত:

১) এখন বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিয়োগের জন্য একাধিক প্রিলিমিনারি পরীক্ষা হয়। তার জেরে একটা পরীক্ষা দিতে না দিতেই আরও একটা পরীক্ষা এসে যায়। শুধু তাই নয়, অনেক সময় একইদিনে পরীক্ষা পড়ে যায়।  সেক্ষেত্রে যে কোনও একটা পরীক্ষা বেছে দিতে হয়। পাশাপাশি প্রতিটি পরীক্ষার জন্য পাঠ্যক্রমও আলাদা হয়। সেই সমস্যা দূর করার জন্য একটি অভিন্ন প্রিলিমিনারি পরীক্ষা হবে। তার ফলে পড়ুয়াদের বোঝা লাঘব হবে।

২) প্রতিটি জেলায় ন্যূনতম একটি পরীক্ষাকেন্দ্র থাকবে। পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি থাকলে কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ানো হবে। ফলে প্রার্থীদের পরীক্ষা দিতে দূরে যেতে হবে না। যে কারণে অনেক মহিলা প্রার্থী পরীক্ষায় বসতে পারেন না বলে দাবি কেন্দ্রের। একইসঙ্গে প্রার্থীদের বাড়তি ঝক্কি, যাতায়াতের খরচও বাঁচবে।

৩) প্রাথমিকভাবে ১২ টি আঞ্চলিক ভাষায় পরীক্ষা আযোজনের চেষ্টা করা হচ্ছে। পরে সেই সংখ্যাটা আরও বাড়ানো হবে।

৪) প্রাথমিকভাবে তিনটি নিয়োগ সংস্থা (আরআরবি, এসএসসি ও আইবিপিএস) সেই অভিন্ন পরীক্ষা নেবে। পরে কেন্দ্রের ২০ টির মতো নিয়োগ সংস্থার ক্ষেত্রেই সেই অভিন্ন পরীক্ষা চালু করা হবে।

৫) জাতীয় নিয়োগ সংস্থায় আরআরবি, এসএসসি ও আইবিপিএসের প্রতিনিধিরা থাকবেন।

৬) প্রার্থীদের রেজিস্ট্রেশন, রোল নম্বর প্রাপ্তি, অ্যাডমিট কার্ড ডাউনলোড, নম্বর দেখানো এবং মেধাতালিকা-সহ যাবতীয় বিষয় অনলাইনে হবে। একটি পোর্টালেই যাবতীয় কাজ করা যাবে। একবারই পরীক্ষার ফি দিতে হবে। সবকিছুই একবারই করতে হবে।

৭) রাজ্য সরকারগুলিকেও সেই অভিন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে পরামর্শ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্র। তবে সেভাবে নিয়োগ করা হবে কিনা, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে সংশ্লিষ্ট রাজ্য।

বন্ধ করুন