বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > রাতের অন্ধকারে ভাঙা হল বাঘা যতীনের মূর্তি, তোলপাড় পদ্মাপারে
কুষ্টিয়ায় বিপ্লবী বাঘা যতীনের মূর্তি ভাঙচুর করল দুষ্কৃতীরা।
কুষ্টিয়ায় বিপ্লবী বাঘা যতীনের মূর্তি ভাঙচুর করল দুষ্কৃতীরা।

রাতের অন্ধকারে ভাঙা হল বাঘা যতীনের মূর্তি, তোলপাড় পদ্মাপারে

  • বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের পর এবার বিপ্লবী বাঘা যতীনের ভাস্কর্য ভাঙচুরের ঘটনা ঘটল বাংলাদেশে। আর তাতেই ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠল পরিস্থিতি।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পর এবার বিপ্লবী বাঘা যতীনের মূর্তি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটল বংলাদেশে। আর তাতেই ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠল পরিস্থিতি। ঘটনাস্থল সেই কুষ্টিয়া। 

এবার কুষ্টিয়ায় বিপ্লবী বাঘা যতীনের মূর্তি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার রাতের দিকে দুষ্কতীরা এই কাণ্ড ঘটায় বলে অনুমান। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। 

কুষ্টিয়া কুমারখালি উপজেলার কয়া গ্রামে কয়া মহাবিদ্যালয়ের উঠোনে প্রতিষ্ঠিত ছিল বিপ্লবী বাঘা যতীনের মূর্তি। রাতের অন্ধকারে সেই মূর্তি ভাঙা হয়েছে। মূর্টিতির ডান গালে ও নাকের ওপর একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। 

কয়া মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ হারুণ অল রশিদ জানান, করোনার কারণে মহাবিদ্যালয় বন্ধ রয়েছে। তার মাঝে কারা এভাবে ভাঙচুর করল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কে বা কারা ভাস্কর্য ভাঙচুর করেছে, কেনই বা এমন কাজ, কিছুই বোঝা যাচ্ছে না। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের কয়া গ্রামেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন বিপ্লবী যতীন্দ্রমোহন মুখোপাধ্যায়। কথিত, খালি হাতে বাঘ মেরেছিলেন বলেই তাঁর নাম হয়েছিল বাঘা যতীন। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে অন্যতম যোদ্ধা ছিলেন বাংলার এই বীর বিপ্লবী। 

কুমারখালি উপজেলা প্রশাসনের বাস্তবায়নে ২০১৬ সালের ৬ ডিসেম্বর তৎকালীন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার আবদুস সামাদ মূর্তিটি উদ্বোধন করেছিলেন। 

খবর পেয়ে কুমারখালি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাজীবুল ইসলাম খান ও সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবুর রহমান তদারকিতে গিয়েছেন। 

বন্ধ করুন