বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > ১১কোটি টিকার ডোজ পেয়েছে বাংলা, হিসাব দিলেন মোদী
চিত্তরঞ্জন ক্যান্সার হাসপাতালের নয়া ক্যাম্পাসের উদ্বোধন মোদীর, যোগ দেন মমতাও (ছবি সৌজন্যে এএআই/টুইটার)
চিত্তরঞ্জন ক্যান্সার হাসপাতালের নয়া ক্যাম্পাসের উদ্বোধন মোদীর, যোগ দেন মমতাও (ছবি সৌজন্যে এএআই/টুইটার)

১১কোটি টিকার ডোজ পেয়েছে বাংলা, হিসাব দিলেন মোদী

  • প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, অন্ধকার যত ঘন হয়, আলোর গুরুত্ব ততই বোঝা যায়। লড়াই যত কঠিন হয়, অস্ত্রের প্রয়োজনীয়তা তত বোঝা যায়।

১১কোটি ডোজ পেয়েছে বাংলা। ভেন্টিলেটর দেওয়া হয়েছে। ৪৯টি অক্সিজেন প্ল্যান্ট কাজ করছে। চিত্তরঞ্জন ক্যানসার হাসপাতালের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলার কোভিড মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় সহায়তা প্রসঙ্গে একথা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ভার্চুয়ালি এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তিনি জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর জন্য এসেছি। স্বাস্থ্যমন্ত্রী ফোন করেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী ইন্টারেস্ট নিয়ে উপস্থিত আছেন। আমিও তাই এলাম। কোভিড যখন হল তখনই আমরা এই হাসপাতালের উদ্বোধন করে দিয়েছিলাম। এই হাসপাতালের ২৫ শতাংশ খরচ আমরাও দিচ্ছি। রেকারিং খরচ দিচ্ছে রাজ্য সরকার। ১১ একর জায়গা আমরা দিয়েছি। কিছু জায়গায় সাধারণের জন্য কেন্দ্র ও রাজ্যকে একসঙ্গে কাজ করতে হয়।

এদিকে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, অন্ধকার যত ঘন হয়, আলোর গুরুত্ব ততই বোঝা যায়। লড়াই যত কঠিন হয়, অস্ত্রের প্রয়োজনীয়তা তত বোঝা যায়। এর সঙ্গেই বাংলাকে ১১ কোটি টিকার ডোজ দেওয়া হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। অন্যদিকে ক্যানসার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমাদের দেশে লাস্ট স্টেজে ক্যানসার ধরা পড়ত। এখন তো ৩৩ বছর হলেই ডায়াবেটিস, হাইপারটেনশন, ক্যানসারের মতো রোগের স্ক্রিনিং চলছে। যাঁদের মধ্যে লক্ষণ দেখা যায়, তাঁদের চিকিৎসার জন্য গ্রামে প্রশিক্ষণও চলছে।

 এদিকে টিকাকরণ নিয়ে কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে নানা টানাপোড়েন চলেছে বিগতদিনে। কেন্দ্র বাংলার জন্য পর্যাপ্ত টিকা পাঠায় না বলে বিগত দিনে অভিযোগ তুলেছিলেন শাসকদলের নেতৃত্ব। কার্যত বাংলাকে পাঠানো টিকার সংখ্যার কথা উল্লেখ করে তারও জবাব দিলেন মোদী। 

এদিকে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, অন্ধকার যত ঘন হয়, আলোর গুরুত্ব ততই বোঝা যায়। লড়াই যত কঠিন হয়, অস্ত্রের প্রয়োজনীয়তা তত বোঝা যায়। এর সঙ্গেই বাংলাকে ১১ কোটি টিকার ডোজ দেওয়া হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। অন্যদিকে ক্যানসার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমাদের দেশে লাস্ট স্টেজে ক্যানসার ধরা পড়ত। এখন তো ৩৩ বছর হলেই ডায়াবেটিস, হাইপারটেনশন, ক্যানসারের মতো রোগের স্ক্রিনিং চলছে। যাঁদের মধ্যে লক্ষণ দেখা যায়, তাঁদের চিকিৎসার জন্য গ্রামে প্রশিক্ষণও চলছে।

 এদিকে টিকাকরণ নিয়ে কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে নানা টানাপোড়েন চলেছে বিগতদিনে। কেন্দ্র বাংলার জন্য পর্যাপ্ত টিকা পাঠায় না বলে বিগত দিনে অভিযোগ তুলেছিলেন শাসকদলের নেতৃত্ব। কার্যত বাংলাকে পাঠানো টিকার সংখ্যার কথা উল্লেখ করে তারও জবাব দিলেন মোদী। 

|#+|

 

 

 

 

বন্ধ করুন