লকডাউন সুনিশ্চিত করতে মাস্ক মুখে ভিলওয়ারা শহরের রাস্তায় টহল দিচ্ছে পুলিশবাহিনী। ছবি: পিটিআই। (PTI)
লকডাউন সুনিশ্চিত করতে মাস্ক মুখে ভিলওয়ারা শহরের রাস্তায় টহল দিচ্ছে পুলিশবাহিনী। ছবি: পিটিআই। (PTI)

সংক্রমণে লাগাম দিতে কাজে দিচ্ছে ‘ভিলওয়ারা মডেল’, দাবি স্বাস্থ্য মন্ত্রকের

করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধ করতে সরকার যে সমষ্টিগত নিয়ন্ত্রণ প্রকল্প চালু করেছে, তা সহায়ক প্রমাণিত হচ্ছে।

গত সোমবার থেকে ৩৫৪ জন নতুন Covid-19 রোগীর সন্ধান পাওয়ার পরে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪,৪২১ জন। মঙ্গলবার এই তথ্য প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। সংক্রমণে মোট মৃতের সংখ্যা ৮।

এ দিন স্বাস্থ্য মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব লব আগরওয়াল জানিয়েছেন, সংক্রমণ রুখতে সরকারি সমষ্টি নিয়ন্ত্রণ বা ক্লাস্টার ম্যানেজমেন্ট প্রকল্প কাজ করতে শুরু করেছে।

যুগ্মসচিব বলেন, ‘করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধ করতে সরকার যে সমষ্টিগত নিয়ন্ত্রণ প্রকল্প চালু করেছে, তা সহায়ক প্রমাণিত হচ্ছে। এই পদ্ধতি প্রয়োগের ফলে সুফল দেখা দিয়েছে বিশেষ করে আগ্রা, গৌতম বুদ্ধ নগর, পাঠনমথিট্টা, ভিলওয়ারা এবং পূর্ব দিল্লিতে।’

এর মধ্যে কড়া নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি প্রকরণের ফলে সংবাদের শিরোনামে জায়গা করে নিয়েছে রাজস্থানের ভিলওয়ারা। যে জেলা কিছু দিন আগেও দেশের প্রথম দশটি করোনা হটস্পটের অন্যতম ছিল, তাতে ত্রিমুখী নিয়ন্ত্রণ নীতি প্রয়োগের ফলে সুফল পাওয়া গিয়েছে।

এই তিন নীতি হল, জেলাটিকে বিচ্ছিন্ন করা, নগর ও গ্রামীণ এলাকায় কড়া স্ক্রিনিং নীতি চালু করা এবং গ্রামাঞ্চলে সমীক্ষা ও পরীক্ষা চালানোর পরে কোয়ারেন্টাইন ও আইসোলেশন ওয়ার্ড তৈরি করে তাতে সংক্রামিতদের সীমাবদ্ধ করা। এই সাফল্যের কারণে ফলদায়ী সরকারি প্রক্রিয়ার নামকরণ করা হয়েছে ‘ভিলওয়ারা মডেল’।

যুগ্মসচিব আরও জানিয়েছেন যে, লকডাউনে সামাজিক দূরত্ব নীতি বজায় রাখতে না পারলে সংক্রমণের ক্ষেত্রে চড়া মূল্য দিতে হতে পারে।

মেডিক্যাল সহায়তা বাড়াতে ইতিমধ্যে ২,৫০০ রেল কামরাকে চলমান আইসোলেশন ওয়ার্ডে রূপান্তরিত করে ৪০,০০০ শয্যার ব্যবস্থা করেছে কেন্দ্রীয় রেল মন্ত্রক। প্রতিদিন দেশের ১৩৩টি ওয়ার্কশপে রেলের উদ্যোগে ৩৭৫টি শয্যা প্রস্তুত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন যুগ্মসচিব।

বন্ধ করুন