বাড়ি > ঘরে বাইরে > ‘আমরা ভুলিনি, আর ভুলতেও দেব না’, সুশান্তের স্টিকার নিয়ে প্রচার বিহার BJP-র
সুশান্ত সিং রাজপুতের স্টিকার (ছবি সৌজন্য হিন্দুস্তান টাইমস)
সুশান্ত সিং রাজপুতের স্টিকার (ছবি সৌজন্য হিন্দুস্তান টাইমস)

‘আমরা ভুলিনি, আর ভুলতেও দেব না’, সুশান্তের স্টিকার নিয়ে প্রচার বিহার BJP-র

  • যদিও বছর শেষে বিহার বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপির সেই প্রচার নিয়ে সরব হয়েছে আরজেডি।

স্টিকারে সুশান্ত সিং রাজপুতের ছবি। তাতে লেখা - ‘আমরা ভুলিনি, আর ভুলতেও দেব না।’ পাশেই পদ্মফুলের ছবি। বিহার বিজেপির সেই ‘জাস্টিস ফর সুশান্ত' অভিযান ঘিরে বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিহারে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।

বিহার বিজেপির সাংস্কৃতিক সেলের তরফে সেই স্টিকার তৈরি করা হয়েছে। সেগুলি গাড়িতে লাগানো হচ্ছে। একইসঙ্গে প্রয়াত অভিনেতার নাম লেখা মাস্কও তৈরি করা হয়েছে। বিজেপির সাংস্কৃতিক সেলের আহ্বায়ক বরুণ কুমার সিং বলেন, ‘জুন থেকেই আমরা সুশান্তের ন্যায়বিচারের জন্য আমরা প্রচার করছি। উনি যুব প্রজন্মের হৃদয়ে রাজত্ব করতেন।’

যদিও বছর শেষে বিহার বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপির সেই প্রচার নিয়ে সরব হয়েছে আরজেডি। বিজেপির প্রচারকে ‘সস্তার রাজনীতি’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন লালুপ্রসাদ যাদবের দলের মুখপাত্র মৃত্যুঞ্জয় তিওয়ারি। বলেন, 'এটায় (সুশান্তের মৃত্যুর ঘটনা) রাজনৈতিক রং চড়ানো বাজে।' তবে সুশান্তের ভাবাবেগ নিয়ে জনতার কাছে যাতে ‘ভুলবার্তা’ না যায়, তা নিশ্চিত করতে তিনি দ্রুত যোগ করেন, আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদবই প্রথম সুশান্তের মৃত্যুর ঘটনায় সিবিআই তদন্তের দাবি তুলেছিলেন। 

গেরুয়া শিবিরের অবশ্য দাবি, ‘জাস্টিস ফর সুশান্ত’ স্টিকার কর্মসূচির সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ নেই। বিধানসভা ভোটের তো প্রশ্নই ওঠে না। বিজেপির মুখপাত্র নিখিল আনন্দ বলেন, ‘সুশান্ত বিহারের ঘরের ছেলে। যিনি বলিউডে বিহারের প্রতিনিধিত্ব করতেন। আমাদের সকলের কাছে তাঁর অকাল মৃত্যু অত্যন্ত দুভার্গ্যজনক। যে ঘটনায় শুধুমাত্র বিহারের নয়, সারা বিশ্বের মানুষের ক্ষোভপ্রকাশ করছেন। সুশান্তের ন্যায়বিচারের দাবির পক্ষে রয়েছে বিহার বিজেপি। সব শ্রেণির শিল্পীদের নিয়ে গড়ে ওঠা বিজেপি বিহারের সাংস্কৃতিক ফোরামও সুশান্তের প্রতি নিজেদের ভালোবাসা প্রকাশের উপায় বের করেছে। তাঁরা শুধুমাত্র শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করছেন না, বিভিন্ন কাজের মাধ্যমে সুশান্তের স্মৃতি বাঁচিয়ে রাখতে বিভিন্ন পরিকল্পনাও রয়েছে তাঁদের। কোনও ফোরাম যদি সত্যিকারের উদ্বেগ প্রকাশ করে, তাতে কোনও রাজনৈতিক ব্যাখ্যা চাপিয়ে দেওয়া উচিত নয়।’

বন্ধ করুন