বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > ইন্দো-বাংলাদেশ সীমান্তে চোরাপাচারের রমরমা! ভুয়ো লাইসেন্সে ৮২ ট্রাক চালক পাকড়াও
প্রতীকী ছবি।
প্রতীকী ছবি।

ইন্দো-বাংলাদেশ সীমান্তে চোরাপাচারের রমরমা! ভুয়ো লাইসেন্সে ৮২ ট্রাক চালক পাকড়াও

  • একাধিক রিপোর্ট বলছে, বহুদিন ধরেই ইন্দো বাংলাদেশ সীমান্তে, সোনা, ফেনসিডিল সিরাপ, ড্রাগ, ইত্যাদির চোরা চালান চলার একাধিক অভিযোগ উঠে এসেছে।

ভারত-বাংলাদেশ পেট্রাপোল সীমান্তের চেকপোস্টে বিএসএফএর তৎপরতায় গত দুই দিনে ৮২ টি ট্রাক ধরা পড়েছে। এই ট্রাকের চালকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে ভুয়ো লাইসেন্স নিয়ে সীমান্ত পারাপার করার। উল্লেখ্য, বহুদিন ধরে দুই দেশের মধ্যে ট্রাক চলাচলে এই ভুয়ো লাইসেন্সের বিষয়টি বড় কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে নিরাপত্তার ক্ষেত্রে। এদিকে আবগারি বিভাগকে এই ইস্যুতে তথ্য দেওয়া হলে, তারা পুলিশে অভিযোগ দায়ের করে। গোটা ঘটনা ঘিরে শুরু হয়ে গিয়েছে তদন্ত। এই ভুয়ো লাইসেন্সের নেপথ্যে কোনও বড় নাশকতার ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, তা নিয়ে চলছে জোর তল্লাশি।

উল্লেখ্য, একাধিক রিপোর্ট বলছে, বহুদিন ধরেই ইন্দো বাংলাদেশ সীমান্তে, সোনা, ফেনসিডিল সিরাপ, ড্রাগ, ইত্যাদির চোরা চালান চলার একাধিক অভিযোগ উঠে এসেছে। এই ঘটনাগুলিতে ট্রাক ড্রাইভারদের জড়িত থাকার প্রভূত তথ্য বিএসএফ-এর হাতে এসেছে। এরপরই চলেছে পর পর তল্লাশি অভিযান। গত ১৬ ও ১৭ জানুয়ারি, পেট্রাপোল সীমান্তে পর পর ট্রাক দাঁড় করিয়ে চলেছে তল্লাশি। আর তার থেকেই খোঁজ মিলেছে ৮২ জন ট্রাক চালকের ভুয়ো লাইসেন্সের। জানা গিয়েছে, তল্লাশি চালিয়ে প্রথম দিনে ৫২ টি ভুয়ো লাইসেন্স ধরা পড়েছে, আর দ্বিতীয় দিনের তল্লাশিতে ৩০ টি আরও ভুয়ো লাইসেন্স ধরা পড়েছে। বিএসএফের তরফে মুখপাত্র কৃষ্ণা রাও জানিয়েছেন, ভুয়ো লাইসেন্স নিয়ে কোনও ট্রাককেই চলাচল করতে দেওয়া হবে না সীমান্তে। তিনি আরও বলেন,' ভুয়ো ড্রাইভিং লাইসেন্স সঙ্গে রেখে কোনও চালককে যে কোনও মূল্যে বাংলাদেশে ট্রাক চালানোর অনুমতি দেওয়া যাবে না কারণ এই ধরনের চালকরা ড্রাইভিং লাইসেন্সের ভিত্তিতে শুল্ক বিভাগ থেকে ভুয়ো পাস পায় যার ভিত্তিতে বিএসএফ ট্রাকগুলিকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে যেতে দেয়।' যাতে দুই দেশের ট্রাক চলাচল মসৃণভাবে হয়, তার জন্য, বনগাঁর ট্রান্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশনকে বিএসএফ জানিয়েছে এক্ষেত্রে নিয়মাফিক ব্যবস্থার জন্য।

ভারত-বাংলাদেশ পেট্রাপোল সীমান্তের চেকপোস্টে বিএসএফএর তৎপরতায় গত দুই দিনে ৮২ টি ট্রাক ধরা পড়েছে। এই ট্রাকের চালকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে ভুয়ো লাইসেন্স নিয়ে সীমান্ত পারাপার করার। উল্লেখ্য, বহুদিন ধরে দুই দেশের মধ্যে ট্রাক চলাচলে এই ভুয়ো লাইসেন্সের বিষয়টি বড় কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে নিরাপত্তার ক্ষেত্রে। এদিকে আবগারি বিভাগকে এই ইস্যুতে তথ্য দেওয়া হলে, তারা পুলিশে অভিযোগ দায়ের করে। গোটা ঘটনা ঘিরে শুরু হয়ে গিয়েছে তদন্ত। এই ভুয়ো লাইসেন্সের নেপথ্যে কোনও বড় নাশকতার ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, তা নিয়ে চলছে জোর তল্লাশি।

উল্লেখ্য, একাধিক রিপোর্ট বলছে, বহুদিন ধরেই ইন্দো বাংলাদেশ সীমান্তে, সোনা, ফেনসিডিল সিরাপ, ড্রাগ, ইত্যাদির চোরা চালান চলার একাধিক অভিযোগ উঠে এসেছে। এই ঘটনাগুলিতে ট্রাক ড্রাইভারদের জড়িত থাকার প্রভূত তথ্য বিএসএফ-এর হাতে এসেছে। এরপরই চলেছে পর পর তল্লাশি অভিযান। গত ১৬ ও ১৭ জানুয়ারি, পেট্রাপোল সীমান্তে পর পর ট্রাক দাঁড় করিয়ে চলেছে তল্লাশি। আর তার থেকেই খোঁজ মিলেছে ৮২ জন ট্রাক চালকের ভুয়ো লাইসেন্সের। জানা গিয়েছে, তল্লাশি চালিয়ে প্রথম দিনে ৫২ টি ভুয়ো লাইসেন্স ধরা পড়েছে, আর দ্বিতীয় দিনের তল্লাশিতে ৩০ টি আরও ভুয়ো লাইসেন্স ধরা পড়েছে। বিএসএফের তরফে মুখপাত্র কৃষ্ণা রাও জানিয়েছেন, ভুয়ো লাইসেন্স নিয়ে কোনও ট্রাককেই চলাচল করতে দেওয়া হবে না সীমান্তে। তিনি আরও বলেন,' ভুয়ো ড্রাইভিং লাইসেন্স সঙ্গে রেখে কোনও চালককে যে কোনও মূল্যে বাংলাদেশে ট্রাক চালানোর অনুমতি দেওয়া যাবে না কারণ এই ধরনের চালকরা ড্রাইভিং লাইসেন্সের ভিত্তিতে শুল্ক বিভাগ থেকে ভুয়ো পাস পায় যার ভিত্তিতে বিএসএফ ট্রাকগুলিকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে যেতে দেয়।' যাতে দুই দেশের ট্রাক চলাচল মসৃণভাবে হয়, তার জন্য, বনগাঁর ট্রান্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশনকে বিএসএফ জানিয়েছে এক্ষেত্রে নিয়মাফিক ব্যবস্থার জন্য।

|#+|

বিএসএফ-এর তরফে জানানো হয়েছে, পেট্রাপোল সীমান্তে আরও বেশি নিরাপত্তা এবার আটোসাঁটো করা হবে। এর আগে, পেট্রাপোল সীমান্ত থেকে ১,৪৪,২২৩৫৬ টাকার পাচার করা সোনা উদ্ধার করে বিএসএফ। জানুয়ারি মাসের ৪ তারিখ একটি বাইক নিরাপত্তা কর্মীদের চোখে ধুলো দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করাতেই সন্দেহ হয় বিএসএফ-এর। উদ্ধার হয় এই বিশাল অঙ্কের সোনা। এছাড়াও গোপন সূত্রে খবর পেয়ে এর আগে পেট্রাপোল সীমান্তে ৫০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে বিএসএফ। বিএসএফ-সূত্রের খবর, এই গোটা পাচার চক্রে, দালাল গোষ্ঠীর সঙ্গে বেশ কয়েজন সহায়ক, শ্রমিক, চালক জড়িত রয়েছে।

 

বন্ধ করুন