বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > ২৬/১১ হামলার মূলচক্রীর বাড়ির সামনে বিস্ফোরণ: তদন্তে তৎপর পাক,আটক গাড়ির মেকানিক
২৬/১১ হামলার মূলচক্রীর বাড়ির সামনে বিস্ফোরণ: তদন্তে তৎপর পাক,আটক গাড়ির মেকানিক। (ছবি সৌজন্য পিটিআই)
২৬/১১ হামলার মূলচক্রীর বাড়ির সামনে বিস্ফোরণ: তদন্তে তৎপর পাক,আটক গাড়ির মেকানিক। (ছবি সৌজন্য পিটিআই)

২৬/১১ হামলার মূলচক্রীর বাড়ির সামনে বিস্ফোরণ: তদন্তে তৎপর পাক,আটক গাড়ির মেকানিক

বিস্ফোরণের ঘটনার তদন্তে নেমে গোয়েন্দারা জানতে পারেন, বিস্ফোরণে ব্যবহৃত গাড়ির অভ্যন্তরীণ সংস্কারের কাজ করেছিল ওই মেকানিক।

হাফিজ সইদের বাড়ির কাছে শক্তিশালী বিস্ফোরণের ঘটনায় এক গাড়ির মেকানিককে আটক করল পাকিস্তানের নিরাপত্তা সংস্থা কাউন্টার টেররিজম ডিপার্টমেন্ট (‌সিটিডি)‌। বিস্ফোরণে জড়িত থাকার অভিযোগে ওই মেকানিককে আটক করেন গোয়েন্দারা। বিস্ফোরণের ঘটনার তদন্তে নেমে গোয়েন্দারা জানতে পারেন, বিস্ফোরণে ব্যবহৃত গাড়ির অভ্যন্তরীণ সংস্কারের কাজ করেছিল ওই মেকানিক।সূত্রের খবর, মেকানিককে অজানা কোনও জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাঁকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছেন তদন্তকারীরা। 

শুক্রবার করাচিতে এক ব্যক্তির বাড়িতে অভিযান চালান গোয়েন্দারা। তবে ঘটনাস্থলে যে গাড়িটি রেখেছিল, সেই চালকের এখনও পর্যন্ত কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২৩ জুন লাহোরের জোহর শহরে মুম্বই হামলার মাস্টারমাইন্ড তথা জামাত-উদ-দাওয়া প্রধান তথা ২৬/১১ মুম্বই হামলার মূল চক্রী হাফিজ সইদের বাড়ির কাছে শক্তিশালী বিস্ফোরণ হয়। প্রবল বিস্ফোরণে পুলিশ কনস্টেবল-‌সহ তিনজনের ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় ২৪ জন আহত হন।

বিস্ফোরণের পর সিটিডি ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলি ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ করে। সূত্রের খবর, ঘটনাস্থল থেকে বল বিয়ারিং, লোহার টুকরো ছাড়াও গাড়ির যন্ত্রাংশ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে গেয়েন্দাদের ধারণা, বিস্ফোরণে ৩০ কিলোর বেশি বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয়েছিল। গুজরানওয়ালা থেকে চুরি হওয়া গাড়ির মধ্যে এই পরিমাণে বিস্ফোরক বোঝাই করা হয়েছিল। এরপর বিস্ফোরক ভরতি গাড়িটি জোহর শহরের হাফিজ সইদের বাড়ির কাছে বোর্ড অফ রেভিনিউ হাউসিং সোসাইটিতে পার্ক করা হয়। অবশ্য হাফিজ সইদের বাড়ির কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। হাফিজ সেই সময় বাড়িতে ছিল না। কিন্তু বিস্ফোরণ স্থলের ১০০ বর্গফুট ব্যাসার্ধের মধ্যে পড়া বাড়িঘর -দোকানপাটের বিপুল ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঘটনার পর পঞ্জাবের বিভিন্ন শহরজুড়ে অভিযান চালিয়েছে সিটিডি।

বন্ধ করুন