বাড়ি > ঘরে বাইরে > ১৫ দিনের মধ্যে লকডাউনে বাতিল বিমানভাড়া ফেরৎ দিতে সুপ্রিম কোর্টে প্রস্তাব পেশ কেন্দ্রের
২৫ মার্চের আগে কেনা বিমান টিকিটের সব টাকা আগামী ১৫ দিনের মধ্যে ফেরৎ দেওয়ার প্রস্তাব দিল কেন্দ্রীয় প্রশাসন।
২৫ মার্চের আগে কেনা বিমান টিকিটের সব টাকা আগামী ১৫ দিনের মধ্যে ফেরৎ দেওয়ার প্রস্তাব দিল কেন্দ্রীয় প্রশাসন।

১৫ দিনের মধ্যে লকডাউনে বাতিল বিমানভাড়া ফেরৎ দিতে সুপ্রিম কোর্টে প্রস্তাব পেশ কেন্দ্রের

  • যদি কোনও উড়ান সংস্থা লকডাউনের কারণে বাতিল হওয়া বিমান টিকিট বাবদ অর্থ ফেরৎ দিতে এখন অপারগ হয়, সে ক্ষেত্রে ওই সংস্থার ক্রেডিট শেলে ওই অর্থ জমা পড়বে, যা খরচ করে ২০২১ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে ওই এয়ারলাইন্সের যে কোনও রুটে বিমানযাত্রা করতে পারবেন যাত্রীরা।

২৫ মার্চের আগে কেনা বিমান টিকিটের সব টাকা আগামী ১৫ দিনের মধ্যে ফেরৎ পেতে চলেছেন যাত্রীরা। সুপ্রিম কোর্টে অ্যাফিডেভিটের মাধ্যমে এই প্রস্তাব দিয়েছে কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রক এবং ডিজিসিএ। 

কেন্দ্রীয় প্রস্তাবে বলা হয়েছে, যদি কোনও উড়ান সংস্থা লকডাউনের কারণে বাতিল হওয়া বিমান টিকিট বাবদ অর্থ ফেরৎ দিতে এখন অপারগ হয়, সে ক্ষেত্রে ওই সংস্থার ক্রেডিট শেলে ওই অর্থ জমা পড়বে, যা খরচ করে ২০২১ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে ওই এয়ারলাইন্সের যে কোনও রুটে বিমানযাত্রা করতে পারবেন যাত্রীরা। 

তবে এই সুবিধা আন্তর্জাতিক উড়ান সংস্থাগুলি পাবে না। তাদের ১৫ দিনের মধ্যেই যাত্রীদের বিমানভাড়া ফেরৎ দিতে হবে। 

যদি ক্রেডিট শেল ব্যবস্থায় কোনও যাত্রী সংশ্লিষ্ট মেয়াদের মধ্যে বিমান সফর করতে না চান, তাহলে এই সুবিধা তিনি অন্য কোনও যাত্রীর নামে ট্রান্সফার করতে পারবেন। যদি কোনও যাত্রী ক্রেডিট শেলে রাখা ভাড়া বাবদ অর্থ কাজে না লাগান, সে ক্ষেত্রে ওই টাকার উপরে মাসিক সুদ যুক্ত হবে এবং ২০২১ সালের ৩১ মার্চ তিনি সুদ সমেত সব টাকা ফেরৎ পাবেন।

গত ১৬ এপ্রিল ডিজিসিএ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানিয়েছিল, ২৫ মার্চ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত বুক করা টিকিটের ভাড়া বাবদ সমস্ত টাকা যাত্রীদের ফেরৎ দিতে হবে। তার আগে বাতিল হওয়া বিমানযাত্রার ভাড় বাবদ অর্থ ফেরৎ পেতে চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন যাত্রীরা।  গত ১২ জুন সমস্যার সমাধান খুঁজতে কেন্দ্রীয় সরকারকে নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত। 

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ২ ও ৮ জুলাই উড়ান সংস্থাগুলির সঙ্গে আলোচনায় বসে কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রক ও ডিজিসিএ। তার জেরেই বর্তমান সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। 

বন্ধ করুন