বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > সস্তায় মিলতে চলেছে ডিম–চিকেন, মজুতদারি রোধে নির্দেশিকা জারি কেন্দ্রের
ডিম–মুরগির দাম কমবে। ছবি সৌজন্য–এএনআই।

সস্তায় মিলতে চলেছে ডিম–চিকেন, মজুতদারি রোধে নির্দেশিকা জারি কেন্দ্রের

  • কোনও ব্যবসায়ী এখন থেকে জুন মাস পর্যন্ত নির্ধারিত পরিমাপের চেয়ে বাড়তি মজুত রাখতে পারবে না।

এখন বাজারে শাক–সবজি থেকে মাছ–ডিম–মাংসের দাম আকাশছোঁয়া। মধ্যবিত্তের নাভিশ্বাস উঠছে বাজার করতে গিয়ে। দেশজুড়ে ডিম–মুরগির দামও অত্যন্ত বেড়েছে। এবার সেই দাম কমতে পারে এবং সাধারণ মানুষ কিছুটা স্বস্তি পেতে পারেন। কারণ ২০২২ সালের জুন মাস পর্যন্ত সোয়াখালি মজুতের উপর সীমা বেঁধে দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। অর্থাৎ, কোনও ব্যবসায়ী এখন থেকে জুন মাস পর্যন্ত নির্ধারিত পরিমাপের চেয়ে বাড়তি মজুত রাখতে পারবে না।

কেন্দ্রীয় সরকারের দাবি, এই মজুতের পরিমাণ বেঁধে দিলেই ডিম–মুরগির দাম কমবে। সাধারণ মানুষও তা কম দামে কিনতে পারবে। মজুতের উপর এই সীমাবদ্ধতা ৩০ জুন, ২০২২ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। ডিসেম্বর মাসেই এই বিষয়ে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এখন পোল্ট্রি ডিম একটির দাম সাড়ে ৬ টাকা থেকে ৭ টাকা। এই নির্দেশের পর ডিমের দাম ৫ টাকায় নেমে যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

কেন্দ্রীয় সরকার সূত্রে খবর, এই নতুন নিয়মে জুন মাস পর্যন্ত সয়াখালি প্রসেসর, মিল মালিক এবং প্ল্যান্ট মালিকরা ৯০ দিন বা তিন মাসের উৎপাদন স্টক করতে পারবেন। এমনকী তাঁদের স্টোরেজ স্পেসও জানিয়ে দিতে হবে মালিককে। সরকারি রেজিস্ট্রকৃত কোম্পানি, ব্যবসায়ী এবং ব্যক্তিগত চৌপাল ঘোষিত স্টোরেজ স্পেস–সহ সর্বাধিক ১৬০ টন মজুত রাখতে পারে। এই সীমা লঙ্ঘন করলে তা খাদ্য মন্ত্রকের পোর্টালে http://evegoils.nic.in/soya_meal_stock/login জানাতে হবে।

কেন্দ্রীয় সরকারের জারি করা নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, পোর্টালে দেওয়া তথ্যগুলি নিয়মিত পরীক্ষা করা হবে। এই পদক্ষেপের জেরে মজুত, কালো বাজারি রোধ করা সম্ভব হবে। অত্যাবশ্যকীয় পণ্য হিসাবে সয়ামিল বিবেচনা করায় কেন্দ্র সব রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে সয়ামিলের উৎপাদন এবং তা বিতরণ নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা দেবে।

বন্ধ করুন