বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকদের জন্য ‘ই-শ্রম’ পোর্টাল চালু কেন্দ্রের, কী করতে হবে?
অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকদের জন্য ‘ই-শ্রম’ পোর্টাল চালু করল কেন্দ্র। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)
অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকদের জন্য ‘ই-শ্রম’ পোর্টাল চালু করল কেন্দ্র। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)

অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকদের জন্য ‘ই-শ্রম’ পোর্টাল চালু কেন্দ্রের, কী করতে হবে?

  • অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকদের জন্য ‘ই-শ্রম’ পোর্টাল চালু করল কেন্দ্র।

অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকদের জন্য ‘ই-শ্রম’ পোর্টাল চালু করল কেন্দ্র। যে পোর্টালের মাধ্যমে নির্মাণ শ্রমিক, পরিযায়ী শ্রমিক, হকার, পরিচারকের মতো দেশের অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকদের বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষামূলক প্রকল্পের আওতায় আনা হবে। 

আপাতত দেশের অসংগঠিত ক্ষেত্রে কর্মরত ৩৮ কোটি শ্রমিককে ‘ই-শ্রম’ পোর্টালে নথিভুক্ত করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় শ্রম মন্ত্রকের তরফে একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘দেশের কোটি কোটি অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিককে নির্দিষ্ট সময় অন্তর সামাজিক সুরক্ষামূলক এবং অন্যান্য প্রকল্পের সুবিধা প্রদানের ক্ষেত্রে নয়া দিশা দেখাবে ই-শ্রম পোর্টাল। এটা অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং কাজ। কিন্তু এরকম যে কোনও চ্যালেঞ্জের মুখে সর্বদাই উঠে দাঁড়িয়েছে দেশ। (পরে) ই-শ্রম পোর্টালকে রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের হাতে তুলে দেওয়া হবে।’

‘ই-শ্রম’ পোর্টালের বিষয়ে জেনে নিন -

১) আধার কার্ড নম্বর দিয়ে শ্রমিকরা ‘ই-শ্রম’ পোর্টালে নিজেদের নথিভুক্ত করতে পারবেন। দিতে হবে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, জন্মতারিখ, বাড়ির ঠিকানা, মোবাইল নম্বর-সহ অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্য।

২) তারপর শ্রমিকদের একটি ‘ই-শ্রম’ কার্ড দেওয়া হবেে। যাতে ১২ ডিজিটের ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন নম্বর থাকবে।

উল্লেখ্য, অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকদের জন্য সেই পোর্টাল চালুর ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণে সুপ্রিম কোর্টে ভর্ৎসনার মুখে পড়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার। চলতি বছরের ১০ জুন শীর্ষ আদালত প্রশ্ন করেছিল, শুধুমাত্র নথিভুক্তিকরণের একটি 'মডিউল' তৈরির জন্য কেন্দ্র এত কেন সময় নিচ্ছে? প্রত্যুত্তরে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল ঐশ্বর্ষ ভাটি জানিয়েছিলেন, সেই পোর্টাল শুধুমাত্র একটি সফটওয়ার নয়। বরং সেই পোর্টালের মাধ্যমে অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকদের চিহ্নিত করা হবে। যাতে তাঁদের কাছে বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছে দেওয়া যায়।

বন্ধ করুন