ভোটার কার্ডের সঙ্গে আধার সংযুক্তিকরণের পথে একধাপ এগোল কেন্দ্র (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য হিন্দুস্তান টাইমস)
ভোটার কার্ডের সঙ্গে আধার সংযুক্তিকরণের পথে একধাপ এগোল কেন্দ্র (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য হিন্দুস্তান টাইমস)

ভোটার কার্ডের সঙ্গে আধার লিঙ্ক, নির্বাচন কমিশনকে আইনি ক্ষমতা দেওয়ার পথে কেন্দ্র

  • কমিশনের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, সংযুক্তিকরণের ফলে যেমন ভুয়ো ভোট ছেঁটে ফেলা যাবে তেমনই বাড়ি ছেড়ে অন্য জায়গায় কাজ করতে যাওয়া মানুষও সেখান থেকে ভোটদানের সুযোগ পাবেন।

আধারের সঙ্গে ভোটার কার্ডের সংযুক্তিকরণের পথে আরও একধাপ এগোল কেন্দ্র। দুই পরিচয়পত্রের সংযুক্তিকরণের জন্য নির্বাচন কমিশনের হাতে আইনি ক্ষমতা তুলে দিতে আধার আইনে সংশোধন করতে চলেছে নরেন্দ্র মোদী সরকার।

আরও পড়ুন : ফেব্রুয়ারিতেই চালু হচ্ছে আধার ভিত্তিক ইনস্ট্যান্ট ই-প্যান কার্ড ইস্যু

এবিষয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার কাছে একটি নোট পাঠানোর জন্য আইন মন্ত্রকে তোড়জোড় চলছে। মঙ্গলবার নির্বাচনী প্রক্রিয়া সংস্কার সংক্রান্ত বৈঠকে নির্বাচন কমিশনকে এমনই বার্তা দিয়েছে আইন মন্ত্রক। সূত্রের খবর, আইন সচিব নারায়ণ রাজু জানিয়েছেন যে এই সংযুক্তিকরণের পক্ষে মত রয়েছে কেন্দ্রের। আধার আইন সংশোধনের জন্য শীঘ্রই পদক্ষেপ করবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা।

আরও পড়ুন : প্যান-আধার সংযুক্তিকরণ : জেনে নিন ৮ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

কিন্তু আধারের সঙ্গে ভোটার কার্ডের সংযুক্তিকরণের ফলে লাভ কী হবে? কমিশনের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, সংযুক্তিকরণের ফলে যেমন ভুয়ো ভোট ছেঁটে ফেলা যাবে তেমনই বাড়ি ছেড়ে অন্য জায়গায় কাজ করতে যাওয়া মানুষও (মূলত পরিচারক, নির্মাণকর্মী) সেখান থেকেই ভোটদানের সুযোগ পাবেন। এখন কোনও ব্যক্তি যে কেন্দ্রে ভোটদাতা হিসেবে নথিভুক্ত কেবলমাত্র সেখানেই ভোট দিতে পারেন। আধার ও ভোটার কার্ডের সংযুক্তিকরণ হলে তাঁরা বাইরে গিয়েও ভোট দিতে পারবেন। সেই প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও শক্তিশালীও হবে বলে দাবি কমিশনের। এক আধিকারিকের কথায়, 'যথার্থভাবে পরিচয় যাচাইয়ের ফলে দূরবর্তী এলাকা (যেখানে কাজ করতে গিয়েছেন) থেকে ভোট দেওয়ার প্রযুক্তির বিষয়ে ভাবনাচিন্তা করতে পারবে কমিশন।'

আরও পড়ুন : আধার-প্যান লিঙ্ক না করলে বাড়বে বিড়ম্বনা, জানাল আয়কর দফতর

ইতিমধ্যে ২০১৫ সালে আধারের সঙ্গে ভোটার কার্ডের সংযুক্তিকরণের কাজ শুরু করেছিল কমিশন। তবে সুপ্রিম কোর্টের আধার ব্যবহার সংক্রান্ত রায়ের পর সেই কাজ বন্ধ করে দেয় কমিশন। ততদিনে অবশ্য প্রায় ৩২ কোটি আধার নম্বর জোগাড় হয়েছিল। এরইমধ্যে আইন সংশোধনের পর আধার সংগ্রহ বাধ্যতামূলক করার ছাড়পত্র দেয় শীর্ষ আদালত। তারপর গত অগস্টে আধার ও ভোটার কার্ড সংযুক্তিকরণের জন্য উপযুক্ত সংশোধনের আর্জি জানিয়ে আইন মন্ত্রককে চিঠি লেখে কমিশন। সম্মত হয় মন্ত্রক। তার ভিত্তিতে এখন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার নোট তৈরির কাজ চলছে।

আরও পড়ুন : পরিচয়পত্র এবং ঠিকানার প্রমাণ ছাড়াই আধার কার্ড, জানুন কী ভাবে


বন্ধ করুন