বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > আস্থা ফেরানো, রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থাকা, চ্যালেঞ্জ নয়া সিবিআই ডিরেক্টরের সামনে
নয়া সিবিআই ডিরেক্টর হলেন সুবোধ কুমার জয়সওয়াল  (ফাইল ছবি)
নয়া সিবিআই ডিরেক্টর হলেন সুবোধ কুমার জয়সওয়াল  (ফাইল ছবি)

আস্থা ফেরানো, রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থাকা, চ্যালেঞ্জ নয়া সিবিআই ডিরেক্টরের সামনে

  • সিবিআইয়ের নীচুতলাকে দুর্নীতিমুক্ত রাখাটাও সিবিআইয়ের নতুন ডিরেক্টরের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ, মত অভিজ্ঞমহলের

সিবিআইয়ের নতুন ডিরেক্টর হয়েছেন সুবোধ কুমার জয়সওয়াল। প্রধানমন্ত্রী, লোকসভার বিরোধী দলনেতা অধীর চৌধুরী, সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি এনভি রামানার উপস্থিতিতে বৈঠকে সিবিআইয়ের নতুন ডিরেক্টর হিসাবে সুবোধ কুমার জয়সওয়ালের নাম উঠে আসে।বুধবার সিবিআইয়ের ৩৩তম ডিরেক্টর হিসাবে দায়িত্ব নেন তিনি। আর এরপরই এজেন্সির বিশ্বাসযোগ্যতাকে ফেরানো ও যাবতীয় ক্ষেত্রে বিতর্কমুক্ত রাখাটাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ তাঁর কাছে। এমনটাই মত অভিজ্ঞ মহলের।

ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ২০১৮-১৯ সালে এজেন্সির বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছিল। মূলত সেই সময় ডিরেক্টর অলোক কুমার ভার্মা ও স্পেশাল ডিরেক্টর রাকেশ আস্থানার মধ্যে সমণ্বয়ের অভাবকে কেন্দ্র করে নানা কথা বলা হত। পরবর্তী সময় সিবিআইয়ের অন্দরে নানা রদবদল হয়। তবে এতসব কিছুর পরেও প্রশ্ন একটাই সব বিতর্কের বাইরে কি বেরতে পেরেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই? এই প্রসঙ্গেই বার বার উঠে আসছে নারদ মামলার কথা। যে মামলায় ইতিমধ্যে চার হেভিওয়েট নেতাকে বাংলা থেকে গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। এরপরই খোদ বাংলার মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন কেন্দ্রের নির্দেশে চারজনকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। এমনকী সেদিন ধৃতদের মুক্তির দাবিতে কলকাতায় সিবিআই দফতরের সামনে এক নজিরবিহীন 'নাটক' দেখেছিল গোটা দেশ। 

রাজ্যের অন্যান্য মামলা যেমন সারদা, রোজ ভ্যালি চিটফাণ্ড মামলা, কয়লা পাচার মামলার মতো গুরুত্বপূর্ণ মামলা যেখানে খোদ অভিযেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে সেখানে সিবিআই কী আদৌ সাফল্য পেয়েছে?এর সঙ্গেই বলা হচ্ছে, বিগতদিনে মহারাষ্ট্রের ডিজিপি ছিলেন জয়সওয়াল। গত মাসে সেই মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিল দেশমুখের বিরুদ্ধে তোলাবাজি ও বদলিতে প্রভাবিত করার অভিযোগের মামলা শুরু করেছে সিবিআই। যখন ডিজিপি ছিলেন জয়সওয়াল, তখন অনিল দেশমুখের কাছে রিপোর্ট করতে হত তাঁকে। এবার কী তিনি পারবেন অনিল দেশমুখের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের তদন্তকে এগিয়ে নিয়ে যেতে? এর সঙ্গেই সিবিআইয়ের অন্দরের আধিকারিকদের মধ্যে অবিশ্বাসের বাতাবরণকেও স্বাভাবিক করতে হবে তাঁকে। সব মিলিয়ে একাধিক চ্যালেঞ্জ ১৯৮৫র ব্যাচের এই আইপিএসের সামনে। এমনটাই মনে করছেন অভিজ্ঞমহল।

 

বন্ধ করুন