বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > এটাই বিশ্বের সবচেয়ে দামি বার্গার, দাম প্রায় সাড়ে ৪ লক্ষ টাকা!
ছবি : ইনস্টাগ্রাম  (Instagram )
ছবি : ইনস্টাগ্রাম  (Instagram )

এটাই বিশ্বের সবচেয়ে দামি বার্গার, দাম প্রায় সাড়ে ৪ লক্ষ টাকা!

  • সম্প্রতি নেদারল্যান্ডস-এর এক শেফ 'গোল্ডেন বয়' নামের এই বার্গার বানিয়েছেন। এর দাম, ৫০০০ ইউরো। ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় সাড়ে ৪ লক্ষ টাকা!

বার্গার খেতে কার না ভালো লাগে! নরম বানের মধ্যে চিজ, মেয়োনিজ, লেটুসে ঘেরা প্যাটি। সঙ্গে একটু ফ্রেঞ্চ ফ্রাইজ হলে তো কথাই নেই। কিন্তু বার্গারের দাম যদি হয় একটা নতুন গাড়ির সমান? আজ্ঞে হ্যাঁ। সম্প্রতি নেদারল্যান্ডস-এর এক শেফ 'গোল্ডেন বয়' নামের এই বার্গার বানিয়েছেন। এর দাম, ৫০০০ ইউরো। ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় সাড়ে ৪ লক্ষ টাকা!

শেফের নাম রবার্ট জ্যান দি ভিন। ভুর্থুইজেন শহরের দে ডালটন্স রেস্তোরাঁর শেফ তিনি।

কী কী আছে এই এত মূল্যবান বার্গারে?

প্যাটি : স্বাভাবিকভাবেই এটি আর পাঁচটা সাধারণ বার্গারের মতো নয়। এতে রয়েছে কিং ক্র্যাবের শাঁস। কিং ক্র্যাব ভীষণ দামী সামুদ্রিক কাঁকড়া। অন্যদিকে মূল প্যাটি ওয়্যাগু বিফ-এর।

ওয়্যাগু হচ্ছে বিশেষ প্রজাতির গোরু। এই বিফে ফ্যাট ও প্রোটিন সমানভাবে মিশে থাকে। হাতে নিলেই গলে যায় মাখনের মতো। ভীষণ দামি।

টপিংস :

ক্যাভিয়ার- দেওয়া হয়েছে বেলুগা ক্যাভিয়ার। ক্যাভিয়ার হল স্টার্জিয়ন জাতীয় মাছের ডিম। তবে এই মাছের ডিম কিন্তু রান্না করা হয় না। মাছের পেট থেকে খুব সাবধানে এই ডিম বের করতে হয়। এরপর নুন দিয়ে একে কাঁচা অবস্থাতেই বিশেষভাবে সংরক্ষণ করা হয়।

এগুলি সাধারণত কালো ও কমলা রঙের হয়। কমলা রঙটা দেখতে মিহিদানার মতো। নোনতা ও মিষ্টি মেশানো স্বর্গীয় স্বাদ এই কাঁচা মাছের ডিমের। এক কেজির দাম কয়েক লক্ষ টাকা।

হোয়াইট ট্রাফল- ট্রাফল এক ধরনের বুনো মাশরুম। পাহাড়ি জঙ্গলে বিশেষ প্রশিক্ষিত কুকুর দিয়ে এই মাশরুম খোঁজা হয়। মাটির নিচে থাকে। ট্রাফলের দামও লক্ষাধিক টাকা হয়। সুগন্ধের জন্য এটি বিখ্যাত।

সস : এমন বার্গারে নিশ্চই বোতলের টমেট্যো কেচআপ বা মেয়োনিজ দেওয়া হবে না। এতে থাকছে কোপি লুয়াক নামে এক অত্যন্ত দামি কফি বিনস থেকে বানানো সস।

বান : বার্গারের আসল স্বাদ কিন্তু থাকে বান-এই। বান বেশি শক্ত হলে ভিতরের খাবারের স্বাদ বোঝা যাবে না। এদিকে বান বেশি নরম হলে তা ভিতরের খাবার ধরে রাখতে পারবে না, ভিজে ভেঙে পড়বে।

এই বার্গারের বান বানানো হয়েছে শ্যাম্পেন দিয়ে। অর্থাত্ পাঁউরুটিটা মাখা হয়েছে শ্যাম্পেন দিয়ে। আর শ্যাম্পেনের দাম যে অনেক, তা বলাই বাহুল্য।

বার্গারের উপরে দেওয়া হয়েছে একটি সোনার তবক।

কে খেলেন এত দামি বার্গার?

এটি নেদারল্যান্ডস-এর বাণিজ্যিক সংস্থা রেমিয়া ইন্টারন্যাশানালকে বিক্রি করা হয়। তবে বার্গারটি খান রবার উইলেমস, রয়্যাল ডাচ ফুড অ্যান্ড বেভারেজ অ্যাসোশিয়েশনের চেয়ারম্যান।

তবে এই পুরো টাকাটা কিন্তু শুধু খাবারের দাম নয়। যতই দামি উপাদান ব্যবহার করা হোক, সাড়ে ৪ লক্ষ টাকা খরচ হবে না।

আসলে সামাজিক কাজের জন্য টাকা তোলার উদ্দেশ্যেই এই বার্গার বানানো। অর্থাত্ এই টাকাটা একটি NGO-র হাতে তুলে দিয়েছেন শেফ।

বন্ধ করুন