শনিবার উত্তর সিকিমে ভারত ও চিনের সেনাবাহিনীর মধ্যে উত্তপ্ত মতদ্বৈত দেখা গিয়েছে।
শনিবার উত্তর সিকিমে ভারত ও চিনের সেনাবাহিনীর মধ্যে উত্তপ্ত মতদ্বৈত দেখা গিয়েছে।

নাকু লা সংঘর্ষের পরে শান্তির বাণী, যৌথ লড়াইয়ে করোনা বিনাশের আর্জি বেজিংয়ের

  • সিকিমের নাকু লা গিরিপথে দুই দেশের বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষ নিয়ে মুখ খোলেনি চিনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক।

সপ্তাহান্তে উত্তর সিকিমে চিনা ও ভারতীয় সেনার মধ্যে উত্তপ্ত সংঘর্ষের পরে সোমবার দুই দেশের মধ্যে মতানৈক্যের সমাপ্তি ঘটাতে ও শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য আবেদন জানাল বেজিং। 

এ দিনের বার্তায় সরাসরি সিকিমের ঘটনার উল্লেখ না করেও পরোক্ষে ভারতের কাঁধেই পরিস্থিতির দায় চাপিয়েছেন চিনের বিদেশমন্ত্রী। তবে তাঁর দাবি, সীমান্তে বরাবরই শান্তি স্থাপনে উদ্য়োগী চিনা সেনাবাহিনী।

গত শনিবার ৫,০০০ মিটার উচ্চতায় সিকিমের নাকু লা গিরিপথে দুই দেশের বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষ নিয়ে মুখ খোলেনি চিনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। 

এই ঘটনায় ২০১৯ সালে ডোকলামে চিন ও ভারতের মধ্যে সামরিক চাপানউতোরের ছায়া দেখা গিয়েছে বলে হিন্দুস্তান টাইমস-এর নিবন্ধে লেখা হয়। তারই জের টেনে রবিবার ভারতীয় সেনাবাহিনীর তরফে জানানো হয়েছে, ‘শনিবার উত্তর সিকিমে ভারত ও চিনের সেনাবাহিনীর মধ্যে উত্তপ্ত মতদ্বৈত দেখা গিয়েছে। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত নিবন্ধে যে সংঘর্ষের কথা বলা হয়েছে, তা ঘটেছে। দুই পক্ষের মধ্যে আগ্রাসী পদক্ষেপের জেরে আহত হয়েছেন একাধিক।’

 

আরও পড়ুন:  উত্তর সিকিম সীমান্তে সংঘাতে জড়াল ভারত-চিন, আহত দু'পক্ষের ১১ জওয়ান

সামরিক পর্যায়ে আলোচনার পরে দুই পক্ষের সেনারাই নিজেদের পূর্ব অবস্থানে ফিরে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। 

ঘটনার সবিস্তার বিবরণ এড়িয়ে গিয়ে এ দিন চিনা বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, ‘এ বছর আমাদের কূটনৈতিক সম্পর্ক গড়ার ৭০ তম বার্ষিকী। এই পরিস্থিতিতে দুই পক্ষের উচিত কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে Covid-19 এর বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়া।’

তবে চিনা আগ্রাসন সম্পর্কে অভিযোগের জবাবে এদিন বেজিং জানিয়েছে, এই দাবি ভিত্তিহীন। বলা হয়েছে, ‘করোনা সংক্রমণের গোড়া থেকে চিন ও ভারত পরস্পরের সঙ্গে সহযোগিতা ও তথ্য বিনিময়ের মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। এই মূহূর্তে আন্তর্জাতিক স্তরে সৌভ্রাতৃত্ব ও সহযোগিতার আবহ ধরে রাখাই বড় চ্যালেঞ্জ। এখন সংঘর্ষ বা মতবিরোধ বাড়ানোর জন্য কোনও রাজনৈতিক দুরভিসন্ধিই বরদাস্ত করা অনুচিত।’ 

 

বন্ধ করুন