বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > একশো কোটির বেশি মানুষকে করোনা টিকার পুরো ডোজ, এই বছরেই ‘হার্ড ইমিনিউটি’ : চিন
বেজিংয়ের দাবি, চলতি বছরের শেষ হওয়ার মধ্যে ‘হার্ড ইমিনিউটি’ তৈরি হওয়ার পথে এগিয়ে যাওয়া হচ্ছে। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য রয়টার্স)
বেজিংয়ের দাবি, চলতি বছরের শেষ হওয়ার মধ্যে ‘হার্ড ইমিনিউটি’ তৈরি হওয়ার পথে এগিয়ে যাওয়া হচ্ছে। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য রয়টার্স)

একশো কোটির বেশি মানুষকে করোনা টিকার পুরো ডোজ, এই বছরেই ‘হার্ড ইমিনিউটি’ : চিন

  • বেজিংয়ের দাবি, চলতি বছরের শেষ হওয়ার মধ্যে ‘হার্ড ইমিনিউটি’ তৈরি হওয়ার পথে এগিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

করোনাভাইরাস টিকার সম্পূর্ণ ডোজ পেয়ে গিয়েছেন ১০১ কোটিরও বেশি মানুষ। বৃহস্পতিবার এমনই দাবি করল চিনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন। সেইসঙ্গে বেজিংয়ের দাবি, চলতি বছরের শেষ হওয়ার মধ্যে ‘হার্ড ইমিনিউটি’ তৈরি হয়ে যাবে। সেই লক্ষ্যেই এগিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

বৃহ্স্পতিবার চিনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশনের মুখপাত্র মি ফেংয়ে দাবি করেন, ৭০ শতাংশের বেশি মানুষ করোনাভাইরাসের কমপক্ষে দুটি ডোজ নিয়েছেন। ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত টিকার ২১৬ কোটি  ডোজ প্রদান করা হয়েছে। যে দেশের জনসংখ্যা ১৪০ কোটি। 

এমনিতে বেজিংয়ের দাবি, বিশ্বের সবথেকে বড় টিকাকরণ কর্মসূচি চলছে চিন। যা গত বছর থেকে শুরু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জরুরিভিত্তিতে প্রথমসারির করোনা যোদ্ধাদের টিকা প্রদান করা হচ্ছিল। সেইসময় শর্তসাপেক্ষে চিনা টিকা সিনোফার্ম অনুমোদন পেয়েছিল। পরবর্তীকালে টিকার সংখ্যা আরও বেড়েছে। আরও ছ'টি করোনা টিকায় অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। যা বিভিন্ন চিনা সংস্থা বা চিনা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছে। তার ফলে বেশি সংখ্যক মানুষকে টিকা নেওয়ার ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। ১২ বছর বা তার থেকে বেশি বয়স হলেই মিলছে টিকা।

গত জুনে চিন দাবি করেছিল, করোনা টিকার ১০০ কোটি ডোজ প্রদান করা হয়েছে। চিনা সংবাদমাধ্যম সিজিটিএনের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২০ এপ্রিল চিনে করোনা টিকার ডোজ প্রদানের সংখ্যা ২০ কোটি ছাড়িয়ে গিয়েছিল। ৭ মে তা ছুঁয়ে ফেলেছিল ৩০ কোটির গণ্ডি। যা ২৩ মে ৫০ কোটি এবং ১৯ জুন ১০০ কোটি ডোজ প্রদানের গণ্ডি পেরিয়েছিল চিন।

বন্ধ করুন