বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > ভারতের সংকল্প-আত্মবিশ্বাসে চমকে গিয়েছে চিন, দাবি ভাগবতের
সংঘ প্রধান মোহন ভাগবত (ছবি সৌজন্য পিটিআই)
সংঘ প্রধান মোহন ভাগবত (ছবি সৌজন্য পিটিআই)

ভারতের সংকল্প-আত্মবিশ্বাসে চমকে গিয়েছে চিন, দাবি ভাগবতের

  • বরাবরই চিনের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের সওয়াল করে এসেছে সংঘ।

চিন-নীতিতে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) প্রশংসা কুড়োল নরেন্দ্র মোদী সরকার। বিজয় দশমীর বার্ষিক ভাষণে সংঘ প্রধান মোহন ভাগবত জানালেন, চিনা আগ্রাসন ও বিস্তারবাদী মনোভাবের বিরুদ্ধে ভারত যেভাবে আত্মবিশ্বাসী পদক্ষেপ করেছে, তাতে দৃঢ় সংকল্প ফুটে উঠেছে। তাতে চমকে গিয়েছে বেজিং। 

পূর্ব লাদাখে ভারত ও চিনের সংঘাতের প্রসঙ্গে ভাগবত জানান, ভারত সীমান্তে সন্ত্রাস ছড়ানো এবং ভারতীয ভূখণ্ডে অনুপ্রবেশের জন্য চিন যে আগ্রাসী নীতি গ্রহণ করেন, সে বিষয়ে অবহিত সারা বিশ্ব। নাগপুরে তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রতিরক্ষা বাহিনী, সরকার এবং মানুষ অবিচল ছিলেন এবং সেই আক্রমণের (গালওয়ান উপত্যকার সংঘর্ঘ) জবাব দিয়েছে ভারত। দৃঢ় সংকল্প, আত্মবিশ্বাস এবং সাহসিকতার পরিচয় দেওয়ার ফলে হতবাক হয়ে গিয়েছে চিন। অতীতেও চিনের বিস্তারবাদী মনোভাব দেখেছে বিশ্ব।’

বরাবরই চিনের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের সওয়াল করে এসেছে সংঘ। বেজিংয়ের সঙ্গে যাবতীয় বাণিজ্যিক সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করা থেকে শুরু চিনা পণ্য বয়কটের দাবিতে সরব হয়েছে সংঘের স্বদেশি জাগরণ মঞ্চ। রবিবারও সেই সওয়াল করেন ভাগবত। তিনি বলেন, ‘আর্থিক এবং কৌশলগত দিক থেকে চিনের উপরে উঠে এবং আমাদের প্রতিবেশিদের সঙ্গে সৌর্হাদ্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার মাধ্যমে এরকম রাক্ষুসে আকাঙ্ক্ষাকে নির্মূল করা যাবে। আমাদের নেতাদের দেখে মনে হচ্ছে সেদিকেই যাচ্ছেন। শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ, নেপাল এবং মায়ানমার শুধুমাত্র প্রতিবেশি দেশ নয়, ওই দেশগুলির সঙ্গে আমাদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আছে এবং আমাদের মূল্যবোধ এবং নৈতিকতার সঙ্গে তাদের মোটামুটি মিল আছে।'

বন্ধ করুন