বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > QUAD বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠকেও চিনের চওড়া ছায়া, সরাসরি বেজিংয়ের নাম করল না ভারত
QUAD বিদেশমন্ত্রীরা এক ফ্রেমে (MINT_PRINT)
QUAD বিদেশমন্ত্রীরা এক ফ্রেমে (MINT_PRINT)

QUAD বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠকেও চিনের চওড়া ছায়া, সরাসরি বেজিংয়ের নাম করল না ভারত

  • জাপানে হল চার দেশের বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠক 

Quad দেশগুলির বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠক জুড়ে রইল চিনের চওড়া ছায়া। তবে সরাসরি প্রকাশ্যে চিনের নাম করেছেন মার্কিন বিদেশমন্ত্রী মাইক পম্পেও। সেই পথে হাঁটেননি জয়শংকর। তবে নিয়ম অনুযায়ী বিশ্বে কাজ কর্ম চলা ও ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে বিবাদের শান্তিপূর্ণ মীমাংসার কথা এদিন বলা হয়। এই কোয়াডের বিষয়টিকে আনুষ্ঠানিক করার বিষয়ও আলোচনা হয়েছে। কোয়াডরিল্যাটারাল সিকিউরিটি ডায়ালগের এই বৈঠক বসেছিল জাপানের টোকিওতে। 

জয়শংকর বলেন যে এমন বিশ্ব চাই যেখানে নিয়মকে মান্যতা দেওয়া হয়, স্বচ্ছতা বজায় থাকে, আন্তর্জাতিক সমুদ্রে অবাধ বিচরণের সুযোগ থাকে, একে অপরের সার্বভৌমত্বকে সম্মান জানান হয় ও শান্তিপূর্ণ ভাবে সমস্যা মিটিয়ে ফেলা যায়। ইঙ্গিত যে চিনের দিকে সেটি বলাই বাহুল্য। 

তবে এত রাখঢাক করেননি পম্পেও। তিনি বলেন যে চিনের কম্যুনিস্ট পার্টির অত্যাচার, দুর্নীতি  থেকে বাঁচাতে হবে। দক্ষিণ ও পূর্ব চিন সাহর, মেকং, হিমালয় ও তাইওয়ানে চিনের আগ্রাসনের চিত্র দেখতে পাওয়া যাচ্ছে বলে জানান মার্কিন বিদেশসচিব। চিন ধামাচাপা চেষ্টা করায় করোনা যে অনেক বেশি ছড়িয়েছে, সেটাও বলেন তিনি। 

অজি বিদেশমন্ত্রী মেরিস পেইন বলেন যে তাঁরা বিশ্বাস করেন নিয়ম অনুযায়ী অঞ্চলে কাজ হওয়া উচিত, পেশিশক্তি অনুযায়ী নয়। দক্ষিণ চিনা সাগরে বেজিংয়ের কার্যকলাপ আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী বলে তিনি তুলে ধরেন। একই সঙ্গে নাম না করে চিনকে সাইবার আক্রমণ থেকে বিরত থাকতেও বলেন তিনি। 

কোয়াডকে আনুষ্ঠানিক রূপ দেওয়া নিয়ে পম্পেও আগ্রহী, এদিন একটি সাক্ষাৎকারে সেটা জানান তিনি। তাঁর মতে কোয়াডের মাধ্যেমেই চিনের লাল চোখ রোখা যাবে। কোয়াডে আরও বেশি সমমনোভাবাপন্ন দেশদের যুক্ত করা যেতে পারে বলে জানান জাাপানের বিদেশমন্ত্রী তোশিমিতসু মোতেগি। তবে কোয়াডের আনুষ্ঠানিক হতে যে এখনও সময় লাগবে তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ হল এদিন কোনও যৌথ বিবৃতি দেওয়া হয় নি। প্রতিটি দেশ নিজেদের মতো করে জানিয়েছে কি নিয়ে কথা হল। 

এই করোনা কালে একসঙ্গে দেখা করার গুরুত্বের কথা তুলে ধরেন জয়শংকর। বিদেশমন্ত্রক থেকে বলা হয়েছে চার দেশের মধ্যে কোভিড পরবর্তী বিশ্বের পরিস্থিতি নিয়ে কথা হয়েছে। আর্থিক পরিস্থিতি সহ কীভাবে কম খরচে টিকা ও ওষুধ ইত্যাদি দেওয়া যেতে পারে, সেই নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এছাড়াও আঞ্চলিক ইস্যু, সামুদ্রিক নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য সুরক্ষা, সন্ত্রাসবাদ বিরোধিতা, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি ইত্যাদি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। 

 

 

বন্ধ করুন