বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > 'প্রতিযোগিতা যাতে সংঘাতে পরিণত না হয়', শান্তির বার্তা দিতে জিনপিংকে ফোন বাইডেনের
ফাইল ছবি (২০১৩), সৌজন্যে রয়টার্স (REUTERS)
ফাইল ছবি (২০১৩), সৌজন্যে রয়টার্স (REUTERS)

'প্রতিযোগিতা যাতে সংঘাতে পরিণত না হয়', শান্তির বার্তা দিতে জিনপিংকে ফোন বাইডেনের

  • এর আগে সাত মাস আগে গত ফেব্রুয়ারিতে দুই রাষ্ট্রনেতা দুই ঘণ্টা কথা বলেছিলেন ফোনে।

দীর্ঘ সাতমাস পর ফোনে কথা হল চিন এবং আমেরিকার রাষ্ট্রনেতাদের। জানা গিয়েছে আফগানিস্তান পরিস্থিতির মাঝে এদিন হোয়াই হাউজ থেকে আচমকাই ফোন যায় বেজিংয়ে। হোয়াইট হাউজের তরফে জানানো হয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিনপিংকে বলেন যাতে দুই দেশের মধ্যকার প্রতিযোগিতা সংঘাতে পরিণত না হয়। এর আগে গত ফেব্রুয়ারিতে দুই রাষ্ট্রনেতা দুই ঘণ্টা  কথা বলেছিলেন ফোনে।

এদিকে বর্তমান পরিস্থিতিতে এই ফোনালাপ যথেষ্ট তাত্পরয্পূর্ণ। কারণ আফগানিস্তানে তালিবানি শাসন শুরু হল বলে। ইতিমধ্যেই সেখানে অন্তরবর্তীকালীন সরকারের ঘোষণা হয়েছে। ১১ সেপ্টেম্বর এই সরকারের সদস্যরা শপথ গ্রহণ করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এদিকে চিন তালিবানকে সমর্থনের ইঙ্গিত দিয়েছে। আফগানিস্তানে আমেরিকার নাজেহাল অবস্থা দেখে বেজিং যে 'জয়' খুঁজছে তা বলাই বাহুল্য। তাই তালিবান সরকারকে ৩১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের ত্রাণ পাঠানোর কথাও ঘোষণা করেছে জিনপিং প্রশাসন। তবে তালিবানি কট্টরপন্থা নিয়ে অস্বস্তিতে রয়েছে চিন নিজেও। তবে দক্ষিণ এশিয়ায় চিনের প্রভাব বিস্তার নিয়ে বেশ চিন্তিত আমেরিকা। পাশাপাশি আফ্রিকার দেশগুলিকে যেভআবে অর্থনৈতিক ভাবে দেউলিয়া করে দিচ্ছে চিন, তা নিয়ে উদ্বিগ্ন আমেরিকা সহ পশ্চিমের গণতান্ত্রিক দেশগুলি।

এদিকে আফগানিস্তান ইস্যু বাদ দিলে দক্ষিণ চিন সাগর নিয়ে দুই দেশের দ্বন্দ্ব দীর্ঘদিনের। বাণিজ্য যুদ্ধ, নৌ আধিপত্য বিস্তারের রেষারেষির আবহে তৈরি হয়েছে চিন বিরোধী জোট কোয়াড। এই পরিস্থিতিতে কয়েকদিন আগেই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া সফরে যান মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস। এরপরই নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে চিন-আমেরিকার মধ্যে। তবে আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের তুলনায় বাইডেন কম আগ্রাসী অবস্থান গ্রহণ করছেন বাইডেন। 

 

বন্ধ করুন