বাড়ি > ঘরে বাইরে > সংক্রমণ নিয়ে তথ্য গোপনের অভিযোগ ভিত্তিহীন, ভারতীয় সংবাদমাধ্যম তোপ চিনের
সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সফল উহান, দাবি চিনের। শহরের রাস্তায় শনিবার মাস্ক পরা অধিবাসীরা। ছবি: এএফপি। (AFP)
সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সফল উহান, দাবি চিনের। শহরের রাস্তায় শনিবার মাস্ক পরা অধিবাসীরা। ছবি: এএফপি। (AFP)

সংক্রমণ নিয়ে তথ্য গোপনের অভিযোগ ভিত্তিহীন, ভারতীয় সংবাদমাধ্যম তোপ চিনের

  • গত ৩ জানুয়ারি থেকে করোনা সংক্রমণ সম্পর্কে নিয়মিত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, আমেরিকা ও অন্যান্য দেশকে তথ্য জুগিয়েছে চিন।

নোভেল করোনাভাইরাস সংক্রমণে চিনের ভূমিকা সম্পর্কে তথ্য বিকৃতি ঘটাচ্ছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের একাংশ। সোমবার এই অভিযোগ জানালেন নয়াদিল্লিতে চিনা দূতাবাসের মুখপাত্র জি রং।

তিনি বলেন, ‘সম্প্রতি কিছু কিছু ভারতীয় সংবাদমাধ্যম চিন থেকে প্রকাশিত তথ্য এড়িয়ে গিয়ে করোনা পরিস্থিতি গোপন করার জন্য চিনকে দোষারোপ করছে। এই দাবি তথ্য বিকৃতিপূর্ণ এবং দায়িত্বজ্ঞানহীন।’

জি জানিয়েছেন, গত ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসের শেষে এক অজানা গোত্রের নিউমোনিয়া সম্পর্কে বিজ্ঞপ্তি জারি করে চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানগুলিকে রোগীর শুশ্রূষা সম্পর্কে সচেতন করে উহান পুর স্বাস্থ্য কমিশন।

এর পর গত ৭ জানুয়ারি চিনা কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির পলিটব্যুরোর বৈঠকে মহামারী মোকাবিলায় জরুরি নির্দেশ জারি করেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। ২৩ জানুয়ারি, হুবেই প্রদেশের উহান শহরের সমস্ত প্রস্থানপথ বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয় চিন।

জিয়ের দাবি, ‘মহামারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে চিন সরকার বরাবর উন্মুক্ত ও স্বচ্ছ আচরণ করে এসেছে। তার জেরেই সময়োপযোগী মহামারী সংক্রান্ত তথ্য আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রকাশ করেছে।’

তিনি বলেন, গত ৩ জানুয়ারি থেকে করোনা সংক্রমণ সম্পর্কে নিয়মিত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, আমেরিকা ও অন্যান্য দেশকে তথ্য জুগিয়েছে চিন। ২৭ জানুয়ারি থেকে প্রতিদিন তথ্য জানাতে সাংবাদিক বৈঠকও করা হয়েছে।

জি বলেন, ‘ভাইরাস কোনও জাতীয় সীমান্ত মানে না। এই মহামারী কোনও জাতিগত বৈষম্য করে না। শুধুমাত্র সৌভ্রাতৃত্ব ও পারস্পরিক সহায়তার মাধ্যমে মহামারীর থেকে বাঁচতে পারে বিশ্ব। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে ভারতবাসী করোনা সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়ছে। মহামারীর হাত থেকে দ্রুত রেহাই পেতে এই লড়াইয়ে ভারতের পাশে রয়েছে চিন।’

বন্ধ করুন