বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > সীমান্তে চিনা সেনা মোতায়েন, স্থিতাবস্থা বদলের ছকই উত্তেজনা বাড়ায়, দাবি দিল্লির
লাদাখ সীমান্তে চিনা সেনার আটজন আগ্রাসী পদক্ষেপের পুরোদমে আছেন (ছবি সৌজন্য রয়টার্স)
লাদাখ সীমান্তে চিনা সেনার আটজন আগ্রাসী পদক্ষেপের পুরোদমে আছেন (ছবি সৌজন্য রয়টার্স)

সীমান্তে চিনা সেনা মোতায়েন, স্থিতাবস্থা বদলের ছকই উত্তেজনা বাড়ায়, দাবি দিল্লির

  • চিনের দিকে অভিযোগের তির নিক্ষেপ করে ভারত দাবি করল, সীমান্তে চিনের সেনা মোতায়েন এবং স্থিতাবস্থা বদলের চেষ্টার জেরেই লাদাখে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

লাদাখ সীমান্তে উত্তেজনার জন্য বারংবার দিল্লির দিকে আঙুল তুলেছে বেজিং। তবে সেই অভিযোগ বারবার নাকচ করে এসেছে ভারত। এবার চিনের দিকে অভিযোগের তির নিক্ষেপ করে ভারত দাবি করল, সীমান্তে চিনের সেনা মোতায়েন এবং স্থিতাবস্থা বদলের চেষ্টার জেরেই লাদাখে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। উল্লেখ্য বিগত বেশ কয়েকদিন ধরেই লাদাখ নিয়ে শব্দের লড়াই শুরু করেছে বেজিং এবং নয়াদিল্লি।

এই পরিস্থিতিতে এদিন বিদেশমন্ত্রকের সচিব অরিন্দম বাগচি বলেন, 'গত একবছর ধরে চিনের কর্মকাণ্ড সর্বজনবিদিত। গত একবছর ধরে যেভাবে ক্রমে চিনা পশ্চিমা সেক্টরে সীমান্তে মোতায়েনরত সেনার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। এবং একতরফা ভাবে স্থিতাবস্থা বদলের চেষ্টা করেছে। এর জেরে সেই এলাকার শান্তি বিঘ্নিত হয়েছে।'

এর আগে বুধবার চিনের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে দাবি করা হয়, নয়াদিল্লি আগ্রাসী নীতির কারণে পূর্ব লাদাখের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। একইসঙ্গে বেজিংয়ের দাবি, সীমান্ত নিয়ে যে দ্বন্দ্ব আছে, তার সঙ্গে সামগ্রিকভাবে ভারত-চিন সম্পর্কের কোনও যোগসূত্র বের করা উচিত নয়।

চিনা বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ান বলেন, ওয়েস্টার্ন সেক্টরে চিন যে সেনা মোতায়েন করেছে, তা সাধারণ রক্ষণাত্মক পদক্ষেপ। চিনা ভূখণ্ডে ভারতের জবরদখল বা সেই দেশের থেকে যে বিপদ হতে পারে, তা রুখতে সেই পদক্ষেপ নেওয়া হয়। আমরা শান্তিপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে সীমান্ত সমস্যার সমাধান করতে চাই। আমাদের মতে, দু'দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সঙ্গে সীমান্তের সমস্যাকে জুড়ে দেওয়া উচিত নয়।

বন্ধ করুন