বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > প্রধানমন্ত্রীর ভয়েই গালওয়ান থেকে লেজ গুটিয়ে পালিয়েছে চিনারা, দাবি জ্যোতিরাদিত্যর
প্রধানমন্ত্রীর কড়া জবাবের ফলেই ভয়ে লেজ গুটিয়ে পালাচ্ছে চিনা সেনা। দাবি বিজেপি সাংসদ জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার।

প্রধানমন্ত্রীর ভয়েই গালওয়ান থেকে লেজ গুটিয়ে পালিয়েছে চিনারা, দাবি জ্যোতিরাদিত্যর

  • এ ভাবেই প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব মানচিত্রে ঐক্য ও সংহতির প্রতীক ভারতের জাতীয় পতাকাকে মহিমান্বিত করেছেন, বলছেন সিন্ধিয়া।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর অনমনীয় অবস্থানের কারণেই গালওয়ান উপত্যকায় সেনা সরাতে বাধ্য হয়েছে চিন। এই দাবি করেছেন বিজেপি নেতা তথা রাজ্য সভার সাংসদ জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া।

মঙ্গলবার দুপুরে মধ্য প্রদেশের শিবপুরী জেলায় নিজের করেরা কেন্দ্রে বিজেপির কর্মিসভায় অনলাইন ভাষণে সিন্ধিয়া বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর কড়া জবাবের ফলেই ভয়ে লেজ গুটিয়ে পালাচ্ছে চিনা সেনা। এ ভাবেই প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব মানচিত্রে ঐক্য ও সংহতির প্রতীক ভারতের জাতীয় পতাকাকে মহিমান্বিত করেছেন।’

আরও পড়ুন: সকাল ৮.৪৫-এ ফোন, তারপর ভিডিয়ো কল - চিনা সেনার পিছু হটার ‘বিহাইন্ড দ্য সিন’

আগামী কয়েক মাসের মধ্যে মধ্য প্রদেশের যে ২৪টি বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন হতে চলেছে, তার অন্যতম করেরা। এর আগে অশোকনগর কেন্দ্রে বিজেপি রাজ্য সভাপতি ভি ডি শর্মার সঙ্গে যৌথ অনলাইন দলীয় সভায় অংশগ্রহণ করেন সিন্ধিয়া। উপনির্বাচনের দিনক্ষণ এখনও ঘোষণা করেনি নির্বাচন কমিশন।

কমল নাথের নেতৃত্বাধীন পূর্বতন কংগ্রেস সরকারের সমালোচনা করে জ্যোতিরাদিত্য বলেন, ‘আমরা সকলেই মধ্য প্রদেশে এক প্রগতিশীল ও উন্নয়নমুখী সরকার চেয়েছিলাম। কিন্তু মাত্র ১৫ মাসে তারা সব সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছিল। বল্লভ ভবন (রাজ্য বিধানসভা) দুর্নীতির আখড়া হয়ে উঠেছিল। বিধায়কদের সেখানে প্রবেশ নিষিদ্ধ হয়েছিল এবং বড় বড় সোফাসেটে দালালদের বসে থাকতে দেখা যেত। বল্লভ ভবনের কুর্সিতে কেউ বসেছিলেন আর তার চাবি ছিল অন্য কারও হাতে।’

আরও পড়ুন: কিছুই করতে হল না ভারতকে! গালওয়ানে ভেসে গেল চিনা সেনার তাঁবু

মঙ্গলবারের অনলাইন দলীয় সভায় মধ্য প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান বলেন, ‘কৃষকদের জন্য ঋণ মকুব প্রকল্বে কমল নাথ সরকারের কেলেঙ্কারি ফাঁস করে দেব। ৬,০০০ কোটি টাকা মকুব হওয়া ঋণের মধ্যে শুধুমাত্র শস্যজাত ঋণ বাবদ ২,৮০০ কোটি টাকা এসেছিল সমবায় ব্যাঙ্কগুলি থেকে, যাদের ঋণ মকুব করতে বাধ্য করা হয়েছিল। এর জেরে সেই ব্যাঙ্কগুলির আর্থিক অবস্থা শোচনীয় হয়ে পড়ে।’

শিবরাজের অভিযোগ, পূর্বতন কংগ্রেস সরকারের দুর্নীতির জেরে অসংখ্য কৃষক ঋণ মকুবের আশায় বসে থাকার পরে শেষ পর্যন্ত ব্যাঙ্কের খাতায় ঋণ-খেলাপি হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছেন। তবে তাঁদের তিনি সাহায্য করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, জানিয়েছেন মধ্য প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী।

 

বন্ধ করুন