বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > চাঁদে ‘রহস্যময় কুঁড়েঘর’-এর হদিশ পেল চিনা রোভার, পাঠাল ছবিও
(ছবি সৌজন্য CNSA/Our Space))

চাঁদে ‘রহস্যময় কুঁড়েঘর’-এর হদিশ পেল চিনা রোভার, পাঠাল ছবিও

  • চাঁদে একটি রহস্যময় বস্তুর হদিশ পেল চিনা রোভার।

চাঁদে একটি রহস্যময় বস্তুর হদিশ পেল চিনা রোভার। যে বস্তুকে ‘রহস্যময় কুঁড়েঘর’ হিসেবে অভিহিত করেছেন চিনা বিজ্ঞানীরা। স্পেস.কমের একটি প্রতিবেদনে এমনই জানানো হয়েছে।

ভন কারমার ক্রেটারে কাজ চালাচ্ছে চিনা ইউতু ২ রোভার। যা চাঁদের অন্যতম বড় এবং গভীরতম গর্ত বলে দাবি করা হয়েছে। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, চাঁদে পৌঁছানোর প্রায় দু'বছর পর সেই ‘রহস্যময় কুঁড়েঘর’-এর সন্ধান পেয়েছে ইউতু ২ রোভার। আপাতত যেখানে সেই রোভার আছে, তার ৮০ মিটার দূরে সেই রহস্যময় বস্তুর হদিশ মিলেছে। 

আওয়ার স্পেস নামে একটি চিনা ভাষার চ্যানেলে (চিনা জাতীয় মহাকাশ প্রশাসনের অনুমোদন প্রাপ্ত চ্যানেল) নিয়মিত সম্প্রচারিত ইউতু ডায়েরি ২-কে উদ্ধৃত করে স্পেস.কম জানিয়েছে, আচমকা উত্তরের আকাশে একটি রহস্যময় ঘনক দেখা গিয়েছে। সেটা এমনভাবে আছে, দেখে মনে হচ্ছে যে সেটা যেন একটা ‘রহস্যময় কুঁড়েঘর’। যা আচমকা সামনে এসেছে। ‘ক্র্যাশ ল্যান্ডিংয়ের পর এটা কি ভিনগ্রহের বাসিন্দারা এই বাড়ি তৈরি করেছে? নাকি চাঁদে আসা কোনও রোভার, যা আগে এসেছিল?’ সেইসঙ্গে ওই ‘রহস্যময় কুঁড়েঘর’-এর ছবিও সামনে আনা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে চাঁদের উদ্দেশে পাড়ি দিয়েছিল ইউতু ২ রোভার। ২০১৯ সালের ২ জানুয়ারি প্রথমবার চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে ভন কারমার ক্রেটারে অবতরণ (সফট ল্যান্ডিং) করেছিল। যে রোভার তিন মাস কাজ করবে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়েছিল। তবে সেই সীমা ইতিমধ্যে পার করে গিয়েছে এবং চাঁদের সবথেকে বেশিদিন ধরে কাজ চালিয়ে যাওয়া রোভারের তকমা পেয়েছে। যে রোভারের সর্বোচ্চ বেগ ঘণ্টায় ২০০ মিটার।

বন্ধ করুন