বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > কমিটির সদস্যদের সম্মানের জন্য….আদানিদের কার্যত ক্লিনচিট নিয়ে কী বলল কংগ্রেস

কমিটির সদস্যদের সম্মানের জন্য….আদানিদের কার্যত ক্লিনচিট নিয়ে কী বলল কংগ্রেস

কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ। ফাইল ছবি: পিটিআই (PTI Photo/Ravi Choudhary)

জয়রাম রমেশ তাঁর অফিসিয়াল টুইটার হ্যান্ডেল[@Jairam_Ramesh] থেকে টুইট করেন। তিনি সুপ্রিম কোর্ট নিযুক্ত কমিটির তদন্তের কার্যকারিতা এবং লাভ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। কমিটির রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে নিম্নলিখিত পাঁচটি পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন তিনি।

আদানি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের তদন্তের জন্য সুপ্রিম কোর্টের নিযুক্ত বিশেষজ্ঞ কমিটির ফলাফল সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া জানালেন কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ। একের পর এক টুইটে জয়রাম রমেশ বেশ কয়েকটি পর্যবেক্ষণের উল্লেখ করেন। তাঁর মতে, 'মোদানি কেলেঙ্কারি' এবং এর জটিলতা পুঙ্খানুপুঙ্খ পরীক্ষা করার জন্য একটি যৌথ সংসদীয় কমিটি(JPC) গঠন করা প্রয়োজন।

জয়রাম রমেশ তাঁর অফিসিয়াল টুইটার হ্যান্ডেল[@Jairam_Ramesh] থেকে টুইট করেন। তিনি সুপ্রিম কোর্ট নিযুক্ত কমিটির তদন্তের কার্যকারিতা এবং লাভ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। কমিটির রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে নিম্নলিখিত পাঁচটি পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন তিনি।

১. মোদী সরকারের দাবির উল্টোটা হয়েছে। কমিটি দেখেছে নিয়মগুলি এমনভাবে বদল করা হয়েছে, যাতে চুড়ান্ত লাভবান কে, সেই মালিকানা স্পষ্ট নয়।

২. কমিটি আদানি গ্রুপের SEBI-র আইন লঙ্ঘনের বিষয়ে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছোতে পারেনি।

৩. যেহেতু এই তথ্যের ভিত্তিতে কোন সুনির্দিষ্ট উত্তরে পৌঁছানো যাচ্ছে না, সেহেতু কমিটি এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে যে, SEBI-র পক্ষ থেকে কোনও নিয়ন্ত্রক সংক্রান্ত ব্যর্থতা নেই।

৪. আমি এই রিপোর্টের ১০৬ এবং ১৪৪ নম্বর পৃষ্ঠা থেকে দু'টি লাইন তুলে ধরতে চাই, যা যৌথ সাংসদীয় কমিটির পক্ষে আমাদের দাবি আরও জোরালো করবে।

ক. 'SEBI এই বিষয়ে প্রমাণ যুক্তি দিতে অক্ষম যে, FPI-তে তহবিল প্রদানকারীরা আদানির সঙ্গে যুক্ত নয়' - এর ফলে অন্তত ২০,০০০ কোটি টাকার হিসাববিহীন তহবিল নিয়ে কোনও সদুত্তর মেলেনি।

খ. 'LIC(4.8 কোটি শেয়ার) আদানি সিকিউরিটিজের সবচেয়ে বড় ক্রেতা ছিল। শেয়ারের দাম ১,০৩১ টাকা থেকে বেড়ে ৩,৮৫৯ টাকা পর্যন্ত হয়ে গিয়েছিল,' এতে এই প্রশ্নটাই ওঠে যে, LIC কার ভালোর কাজ করছিল?

৫. আমরা কমিটির সদস্যদের সম্মানের প্রেক্ষিতে এই রিপোর্ট সম্পর্কে আর বেশি কিছু বলতে চাই না। শুধুমাত্র এটুকুই বলব যে, কমিটির প্রাপ্ত ফলাফলগুলি স্রেফ অনুমানের বশে ছিল এবং এই রিপোর্টকে ঘুরিয়ে আদানি গ্রুপকে ক্লিন চিট দেওয়ার মতো যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।

জয়রাম রমেশের টুইটে আদানি বিতর্ক নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। বিরোধীদের অনেকই এই বিষয়ে আরও ব্যাপক তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন।

এই খবরটি আপনি পড়তে পারেন HT App থেকেও। এবার HT App বাংলায়। HT App ডাউনলোড করার লিঙ্ক https://htipad.onelink.me/277p/p7me4aup

বন্ধ করুন