বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > Bharat Jodo Yatra: শেষের পথে 'ভারত জোড়ো যাত্রা', ভোট নজরে রেখে কংগ্রেসের পরবর্তী কর্মসূচি কী?

Bharat Jodo Yatra: শেষের পথে 'ভারত জোড়ো যাত্রা', ভোট নজরে রেখে কংগ্রেসের পরবর্তী কর্মসূচি কী?

কাঠুয়ায় কংগ্রেসের ভারত জোড়ো যাত্রা। (ANI Photo) (Congress Twitter)

সেপ্টেম্বরে শুরু হওয়া ভারত জোড়ো যাত্রা শেষের দিকে আসতেই কংগ্রেসের পরবর্তী কর্মসূচি ‘হাত সে হাত জোড়ো’ যাত্রার ঘোষণা করেছে কংগ্রেস। প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর থেকে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বাধীন ভারত জোড়ো যাত্রা শুরু হয়েছিল। এরপর এই যাত্রা শ্রীনগরে শেষ হবে ৩০ জানুয়ারি।

কংগ্রেসের ‘ভারত জোড়ো যাত্রা’ এবার শেষের পথে। তবে প্রচার কর্মসূচিতে থেমে থাকতে রাজি নয় কংগ্রেস। ফলে ২০২৩ সালে একাধিক রাজ্যের ভোটকে মাথায় রেখে পর পর একাধিক কর্মসূচি সাজিয়ে ফেলছে রাহুল গান্ধীর পার্টি। কংগ্রেস কাশ্মীরের পথে পা বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গেই ‘ভারত জোড়ো যাত্রা’ যে উপসংহারের দিকে এগোচ্ছে তার বার্তা এসেছে। এই পরিস্থিতিতে ৯ টি রাজ্যে ভোটের দিকে তাকিয়ে দলের তরফে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষিত হয়েছে।

সেপ্টেম্বরে শুরু হওয়া ভারত জোড়ো যাত্রা শেষের দিকে আসতেই কংগ্রেসের পরবর্তী কর্মসূচি ‘হাত সে হাত জোড়ো’ যাত্রার ঘোষণা করেছে কংগ্রেস। শনিবার পার্টির তরফে এই ঘোষণার পাশাপাশি বিজেপির চার্জশিট-ও পেশ করে রাজনৈতিক চমক দিয়েছে হাত শিবির। কংগ্রেস তার টুইটার হ্যান্ডেলে লিখেছে, ‘মোদী সরকারের তথাকথিত শাসন মডেল জনসাধারণকে অন্ধকারে রেখে তার ব্যবসায়ী বন্ধুদের সুবিধা করে দিয়েছে। ৯ বছরে, ভারতীয়রা প্রত্যক্ষ করেছে জুমলা, প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ, ক্রমবর্ধমান সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা, রেকর্ড বেকারত্ব এবং শূন্য জবাবদিহি!’ এছাড়াও বিজেপির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ এনে সুর চড়িয়েছে কংগ্রেস। উল্লেখ্য, বিজেপির ‘সবকা সাথ সবকা বিকাশ’ স্লোগানকে টুইস্ট করে কটাক্ষের সুরে কংগ্রেস লেখে, ‘কুছকা সাথ.. কুছ কা বিকাশ’, অর্থাৎ কিছু জনের সঙ্গ আর কিছু জনের বিকাশ। এক্ষেত্রে দেশের কোটিপতি ব্যবসায়ীদের নাম না করে আদানি ও আম্বানি গোষ্ঠীকে কংগ্রেস আক্রমণ করেছে বলে মনে কার হচ্ছে। এছাড়াও অন্য এক স্লোগানে কংগ্রেস লেখে ‘সবকে সাথ বিশ্বাসঘাত’।যেখানে বিজেপি সকলের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে বলে অভিযোগ তোলে কংগ্রেস।

কংগ্রেস বিস্ফোরক অভিযোগ দাবি করে, এক ব্যবসায়ীর প্রাইভেট জেট-এ দিল্লি পৌঁছে শপথ নেন মোদী। যে ব্যবসায়ীর সম্পত্তি ২০১৪ সালের পর ৫০ শতাংশ বেড়েছে। এমনই দাবি রাহুল গান্ধীর শিবিরের। কংগ্রেস শিবিরের দাবি, মোদীর বন্দুদের ৭২ হাজার কোটি টাকার ঋণ মুকুব করে দেওয়া হয়েছে। যেখানে কৃষকদের একটিও ঋণ মুকুব করা হয় না বলে দাবি করেছে কংগ্রেসে। কংগ্রেস দাবি করেছে, ভারতের মাচির ২০ হাজার স্কোয়ার কিলোমিটার এলাকা দখল করে নিয়েছে চিন, অথচ কেন্দ্র বলছে ‘কেউ প্রবেশ করেনি।’ প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর থেকে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বাধীন ভারত জোড়ো যাত্রা শুরু হয়েছিল। এরপর এই যাত্রা শ্রীনগরে শেষ হবে ৩০ জানুয়ারি।

এই খবরটি আপনি পড়তে পারেন HT App থেকেও। এবার HT App বাংলায়। HT App ডাউনলোড করার লিঙ্ক https://htipad.onelink.me/277p/p7me4aup

 

 

 

 

 

 

বন্ধ করুন