ভাইরাস আক্রান্ত জাহাজ থেকে উদ্ধার পেতে সরকারি সাহায্যের প্রত্যাশী উত্তর দিনাজপুরের বিনয় কুমার সরকার। ফেসবুকে তাঁর পোস্টটি ভাইরাল হয়েছে।
ভাইরাস আক্রান্ত জাহাজ থেকে উদ্ধার পেতে সরকারি সাহায্যের প্রত্যাশী উত্তর দিনাজপুরের বিনয় কুমার সরকার। ফেসবুকে তাঁর পোস্টটি ভাইরাল হয়েছে।

করোনাভাইরাসের গ্রাসে জাহাজ, উদ্ধার পেতে ফেসবুকে আর্জি বাংলার বিনয়ের

  • উত্তর দিনাজপুরে কানকির হাতিপা গ্রামের বাসিন্দা বিনয় আরও একটি ভিডিয়ো পোস্টে দাবি করেছেন, ইয়োকোহামা বন্দরে আটকে থাকা জাহাজটির কোনও ভারতীয় নাবিকই এখনও পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হননি।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত জাহাজের ১৬০ জন ভারতীয় কর্মী। সাহায্য চেয়ে ফেসবুকে আর্জি জানালেন ডায়মন্ড প্রিন্সেস জাহাজের নাবিক, উত্তর দিনাজপুরের বাসিন্দা বিনয় কুমার সরকার।

শুক্রবার ১.৪৬ মিনিটের ফেসবুক ভিডিয়ো পোস্টে বিনয় জানিয়েছেন, ‘আমরা ভয়াবহ ও বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে আছি। গতকাল জাহাজের ২১ জন যাত্রীর শরীরে করোনাভাইরাস ধরা পড়েছে। আজ সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬২। ৪৩ জন যাত্রীকে আলাদা রাখা হয়েছে। নাবিকদের মধ্যে ১৬০ জন ভারতীয়। করোনাভাইরাস নিয়ে ভীতি ছড়াচ্ছে। ভারত সরকারের কাছে আমাদের একমাত্র আর্জি, জাহাজ থেকে বের করে আমাদের বিচ্ছিন্ন কোনও স্থানে রাখা হোক। পরিবারের সদস্যরা খুব চিন্তা করছেন। আমরা আতঙ্কিত। যে করে হোক জাহাজ থেকে নামতে চাই। দয়া করে সাহায্য করুন।’

উত্তর দিনাজপুরে চাকুলিয়া থানার অন্তর্গত কানকির হাতিপা গ্রামের বাসিন্দা বিনয় আরও একটি ভিডিয়ো পোস্টে দাবি করেছেন, ইয়োকোহামা বন্দরে আটকে থাকা জাহাজটির কোনও ভারতীয় নাবিকই এখনও পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হননি।



আরও পড়ুন: করোনা-আতঙ্কের মাঝেই মেদিনীপুরে বিয়ে সারলেন চিনা যুবতী


সোশ্যাল মিডিয়ায় বিনয়ের পোস্ট করা ভিডিয়ো কয়েকশো বার শেয়ার হওয়ার পরে রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ‘আমরা কলকাতার জাপানি দূতাবাস কথা বলে দেখব যদি কিছু করা যায়।’

৬ ফেব্রুয়ারি জাহাজটির মালিকানা সংস্থা প্রিন্সেস ক্রুজেস তাদের বিবৃতিতে জানিয়েছে, করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঘটায় ডায়মন্ড প্রিন্সেসকে আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ইয়োকোহামা ছাড়তে দেবে না বন্দর কর্তৃপক্ষ।

গত ৪ ফেব্রুয়ারি ওই জাহাজে প্রথম করোনাভাইরাস সংক্রমণের প্রমাণ পাওয়া যায়। সেই সময় জাহাজটিতে ২,৬৬৬ জন যাত্রী এবং ১,০৪৫ জন কর্মী ছিলেন।ভিডিয়ো বার্তায় বিনয় জানিয়েছেন, ‘বাড়ি ফেরার কথা ছিল, কিন্তু এই অবস্থায় কবে ফিরতে পারব জানি না।'

বন্ধ করুন