প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আহ্বানে করোনাভাইরাস সংক্রমণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ কৌশল নিরূপণে বৈঠকে বসলেন সার্ক দেশগুলির রাষ্ট্রনেতারা।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আহ্বানে করোনাভাইরাস সংক্রমণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ কৌশল নিরূপণে বৈঠকে বসলেন সার্ক দেশগুলির রাষ্ট্রনেতারা।

Covid-19 crisis: আতঙ্কিত না হয়ে প্রস্তুতিই মূলমন্ত্র, সার্ক বৈঠকে বার্তা মোদীর

  • মহামারী মোকাবিলায় আতঙ্কিত না হয়ে জরুরি প্রস্তুতি নেওয়াই ভারতের প্রধান পদক্ষেপ। সমস্যাকে খাটো না করে অযথা ভীত হওয়ার প্রয়োজন নেই।

প্রস্তুত থাকুন, কিন্তু আতঙ্কিত হবেন না। Covid-19 মোকাবিলায় এটাই ভারতের নীতি। রবিবার সার্ক বৈঠকে এই মন্তব্য করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোখার উদ্দেশে সার্ক সদস্য রাষ্ট্রগুলিকে নিয়ে রবিবার আলোচনায় বসলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আলোচনার প্রথমে তাঁর ভাষণে অভ্যাগতদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণ রুখতে গেলে সার্ক সদস্য দেশগুলিকে কাঁধেকাঁধ মিলিয়ে লড়তে হবে।

বৈঠকে উপস্থিত রাষ্ট্রনেতাদের তিনি Covid 19 কে রাষ্ট্রপুঞ্জের মহামারী ঘোষণা করা এবং এই রোগে এ পর্যন্ত কয়েক হাজার মৃত্যুর কথা স্মরণ করিয়ে দেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের সার্ক অঞ্চলের উন্নয়নশীল দেশগুলিতে লোকসংখ্যা বেশি। এখানে বিশ্বের এক পঞ্চমাংশ জনসংখ্যার বাস। আমরা সব দেশই স্বাস্থ্য সংক্রান্ত কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড়িয়ে। আমাদের মানুষে মানুষে ঘনিষ্ঠতা বেশি। আমাদের সমাজ অনেক বেশি ঘনবদ্ধ। সেই কারণে রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও অনেক বেশি।’

তিনি বলেন, ‘করোনাভাইরাসজনিত মহামারী ঠেকাতে আমাদের সবাইকে একযোগে প্রস্তুত হতে হবে, কাজ করতে হবে এবং সফল হতে হবে।' সেই সঙ্গে ভাইরাস চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে গিয়ে ভারতে কী প্রস্তুতি নেওয়া হয়েচে, তা ব্যাখ্যা করেন মোদী।

এই প্রসঙ্গে তিনি জানান, মহামারী মোকাবিলায় আতঙ্কিত না হয়ে জরুরি প্রস্তুতি নেওয়াই প্রধান পদক্ষেপ। তিনি বলেন, সমস্যাকে খাটো না করে অযথা ভীত হওয়ার প্রয়োজন নেই। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ভারতে আমরা চিকিত্সা ব্যাবস্থার উন্নতি করেছি। যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নতি সাধন, জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝি থেকে বিদেশি পর্যটকদের প্রবেশের উপরে স্ক্রিনিং পদ্ধতি চালু করা হয়। সেই সঙ্গে ভ্রমণের উপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয় ধীরে ধীরে।’

নমো জানিয়েছেন, ভারতে করোনাভাইরাস জনিত আতঙ্ক রুখতে পদক্ষেপ করা হয়েছে পর্যাক্রমে। জনসচেতনা বাড়াতে নিরন্তর প্রচার করা হচ্ছে টিভি, সংবাদপত্র ও সোশ্যাল মিডিয়াতে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে সচেতনা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

পাশাপাশি, রোগ মোকাবিলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে দেশজুড়ে। স্বাস্থ্য পরীক্ষা পদ্ধতির উন্নয়ন ঘটানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সেই জোরদার করা হয়েছে প্রটোকল ব্যবস্থা।

মোদী বলেন, ‘শুধু দেশ নয়, বিদেশে থাকা প্রায় ১৪০০ ভারতীয়কে আমরা এখনও পর্যন্ত উদ্ধার করেছি। বিদেশ থেকে অন্য দেশের নাগরিকদেরও উদ্ধার করা হয়েছে। আমরা বুঝেছিলাম ভারতে বসবাসকারী বিদেশি নাগরিক এবং রোগ মোকাবিলায় ভারত সরকারের প্রচেষ্টার কথা ভিনদেশের রাষ্ট্রদূতদের নিয়মিত জানানো হচ্ছে বলেন নমো।

বন্ধ করুন