(ছবিটি প্রতীকী)
(ছবিটি প্রতীকী)

লকডাউনে ই-কমার্স ওয়েবসাইটে বদলেছে গ্রাহকদের চাহিদা, জানা গেল সমীক্ষায়

  • সংকটকালে পড়ে গিয়েছে গেমস ও অন্যান্য বিনোদন পণ্যের বিক্রি।চাহিদা বেড়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের।

লকডাউনে ই-কমার্স ওয়েবসাইটগুলিতে বদলে গিয়েছে ভারতীয়দের চাহিদার ধরণ। ভ্রমণ, গ্যাজেট, খাদ্য-পানীয়র চেয়ে অনেক বেশি চাহিদা বেড়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের। সাম্প্রতিক পরিসংক্যান বলছে, এই ধরনের পণ্যের অর্ডার এই সময়ে বেড়েছে ১৭.৫%।

সম্প্রতি ডিজিটাল পেমেন্ট সংস্থা Wibmo-এর সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, লকডাউনের আগে ই-কমার্স ওয়েবসাইটে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের জন্য গ্রাহকের অর্ডার পাওয়া যেত ৫৫%। কিন্তু লকডাউন পর্বে সেই অর্ডারের পরিমাণ বেড়ে হয়েছে ৭২.৫%।সামগ্রিক ভাবে এই সময় ই-কমার্স ওয়েবসাইটে বাজার করার প্রবণতা বেড়েছে আগের চেয়ে ২.২%।

সংকটকালে পড়ে গিয়েছে গেমস ও অন্যান্য বিনোদন পণ্যের বিক্রি। আগে বিশ্বজোড়া ই-কমার্স ওয়েবসাইটে এই বিভাগে অর্ডার আসত ১২%। কিন্তু বর্তমানে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৯.৪%।

দেখা গিয়েছে, জনতা কারফিউ ঘোষণা হওয়ার এক সপ্তাহ পরে RuPay-এর মাধ্যমে পেমেন্টের হার গোটা গ্রাহক খরচায় বেড়েছে ৯৮%। তবে এর পর থেকে তা ৮৭% থেকে ৯৮% এর মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। সপ্তাহের শেষ দিকে অবশ্য ফের তা ১০% বেড়েছে।

অন্য দিকে, ভিসা ও মাস্টারকার্ড-এর মাধ্যমে কেনাকাটার হার তাদের সাধারণ পরিমাণের চেয়ে ৮৬% বেড়ে যায় প্রথম দিকে। পরে তা ৭০%-৮৬% মধ্যে ঘোরাফেরা করে। বর্তমানে এই পেমেন্ট ব্যবস্থায় অর্ডারের পরিমাণ আরও ২৫% কমেছে বলে জানা গিয়েছে।

Wibmo-এর সিইও গোবিন্দ সেতলার জানিয়েছেন, ‘ামরা বছরে ২২ কোটি লেনদেন প্রক্রিয়াজাত করি বলে গ্রাহকের চাহিদা ও আচরণ বুঝতে পারি। সংকটকালে ঘরবন্দি গ্রাহকদের চাহিদার এই পার্থক্য আগেই অনুমান করা গিয়েছিল।’

বন্ধ করুন