দামও বাড়তে চলেছে কন্ডোমের।
দামও বাড়তে চলেছে কন্ডোমের।

করোনা সংক্রমণে কমেছে উৎপাদন, বিশ্বজুড়ে দেখা দেবে কন্ডোমের আকাল

  • মূলত চিন ও ভারতে অধিকাংশ কন্ডোম তৈরি হয় এবং এই দুই দেশে সংক্রমণের হার বাড়ার ফলে লকডাউন জারি হয়েছে। যার ফলে টান পড়েছে উৎপাদনে।

বিশ্বজুড়ে অচিরেই মন্দা দেখা দিতে শুরু করবে কন্ডোমের, সতর্ক করল বৃহত্তম কন্ডোম ইউপাদক সংস্থা মালয়েশিয়ার ক্যারেক্স বিএইচডি। প্রায় ৫০% উৎপাদন হ্রাস পাওয়ার পাশাপাশি মজুত রাখা কন্ডোম বড়জোর আগামী দুই মাসের চাহিদা পূর্ণ করবে বলে জানিয়েছে সংস্থা।

Covid-19 সংক্রমণের জেরে প্রায় সারা বিশ্বে লকডাউন জারি হওয়ায় এক সপ্তাহ বন্ধ থাকার পরে সবে শুক্রবার থেকে চালু হয়েছে সংস্থার কারখানাগুলি। কিন্তু সেখানে মাত্র ৫০ শতাংশ কর্মী আপাতত হাজিরা দিচ্ছেন। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, মূলত চিন ও ভারতে অধিকাংশ কন্ডোম তৈরি হয় এবং এই দুই দেশে সংক্রমণের হার বাড়ার ফলে লকডাউন জারি হয়েছে। যার ফলে টান পড়েছে উৎপাদনে।

এ দিকে ঘরবন্দি সমাজে প্রতিদিন জোড় সংখ্যায় বাড়ছে কন্ডোমের চাহিদা। সংস্থার প্রধান তথা গ্রুপ সিইও গোহ মিয়া কিয়াত জানিয়েছেন, অনিশ্চিত ভবিষ্যতের কথা ভেবে অনেকেই এখন সন্তান চাইছেন না। ফলে চাহিদা বাড়ছে গর্ভনিরোধক কন্ডোমের।

উল্লেখ্য, মালয়েশিয়ার এই সংস্থা বিশ্বের প্রতি ৫টি কন্ডোমের মধ্যে একটির প্রস্তুতকর্তা এবং ডুরেক্স-এর মতো ডজনপ্রিয় ব্র্যান্ডের উৎপাদক। বছরে ৫০০ কোটি কন্ডোম উৎপাদন করে ক্যারেক্স বিএইচডি। পৃথিবীর ১৪০ টিরও বেশি দেশে ব্যবহার করা হয় তাদের তৈরি কন্ডোম। কিন্তু বর্তমানে অধিকাংশ দেশ সীমান্ত বন্ধ করে দেওয়ায় এবং বিমান চলাচল স্থগিত রাখায় জোগানে ভাটা পড়েছে।

শুক্রবার সিইও জানিয়েছেন, ‘এ এক অভূতপূর্ব পরিস্থিতি। এমন ঘটনা আগে দেখা যায়নি।’

তাঁর দাবি, এই পরিস্থিতিতে কন্ডোমের দাম বাড়ার সম্ভাবনা প্রবল। এখনও পর্যন্ত কর্মীরা সম্পূর্ণ বেতন পেলেও হাজিরা কম থাকায় উৎপাদনের খরচ বাড়ছে বলে তিনি সতর্ক করেছেন।

বন্ধ করুন